Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

কুষ্টিয়ার নলকোলার স্টিল ব্রিজে পুলিশ বক্সের সামনে থেকে ডাকাতি

admin • 22 Jan 2023, 09:22 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার নলকোলার স্টিল ব্রিজে পুলিশ বক্সের সামনে থেকে ডাকাতি

সারাদেশ ব্যাপী ডাকাতির দুর্নাম ছড়িয়ে আছে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার ইবি থানাধীন নলকোলার স্টিল ব্রিজে। একসময় ডাকাত আতঙ্কে সন্ধ্যার পরে কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা সড়কে আর কোনো গাড়িচালক যেতে চাইতো না।ডাকাতি ছাড়াও এই ব্রিজের রয়েছে এইট মার্ডারের ভয়ঙ্কর ইতিহাস ও চালকের গলা কেটে গাড়ি ছিনতাইয়ের ভীতিকর ঘটনা।

 

বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ধরে এনে জবাই করে,গুলি করে হত্যা এই ব্রিজের পাশেপাশে ফেলে রেখে যেতো সন্ত্রাসীরা।সর্বোপরি স্টিল ব্রিজ ছিলো ডাকাত-সন্ত্রাসের অভয়াশ্রম।ডাকাত-সন্ত্রাসের ভয়ানক দিনের সেসব কালো ইতিহাস আবার পুনরাবৃত্ত হলো শনিবার দিবাগত রাত ১২:৩০ টার দিকে ডাকাতির মাধ্যমে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়,তিনি শনিবার দিবাগত রাত ১২:০০ টার দিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন শেষে বাইক যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় বল্লভপুর মোড় থেকে বাইকের সামনে সামনে একটা ট্রাক যেতে থাকে।ট্রাকটি নলকোলার স্টিল ব্রিজের পুলিশ টহল বক্সের কাছে গিয়ে আকস্মিকভাবে থেমে যায় এবং ট্রাকের সব লাইট ও ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।এসময় তিনি ট্রাকের পাশ দিয়ে যেতে গেলে একজন রামদা দিয়ে তাঁর মাথার হেলমেটে আঘাত করে।আরেকজন এসে বাইকের চাবি,মানিব্যাগ ও মোবাইল কেঁড়ে নেয়।

 

আরেকজন তার হাতে,ঘাড়ে ও শরীরের বেশ কয়েক জায়গায় আঘাত করে।তিনি পড়ে গেলে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটা মাইক্রোবাসের মধ্যে আটকে রাখে।এরপর তারা প্রায় দেড় থেকে ২ ঘন্টা ধরে বিভিন্ন বাইক, মাইক্রোবাস ও ট্রাকে ডাকাতি করে বলে জানা যায়।এসময় ডাকাতদল ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তার উপর আড়াআড়িভাবে গাছ কেটে ফেলে রাখেয়। ফলে অবরুদ্ধ রাস্তায় বেশকিছু পথচারী এ ডাকাতির শিকার হয়।পরে পুলিশ এসে বাঁশি বাজালে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।

স্টিল ব্রিজে দীর্ঘ বিরতির পর ডাকাতির এ ঘটনা কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা সড়কে চলাচলকারী পথচারী ও পরিবহন চালকদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করেছে।পুলিশ টহলের ব্যবস্থা থাকার পরেও কিভাবে ডাকাতি হলো এ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তাঁরা।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খাঁন বলেন, ওই এলাকার আমার থানার অধীনে না।ইবি থানার অধীনে। ইবি থানার অফিসার ইনচার্জও বলেন,ওই এলাকা আমার থানার অধীনে না। সদর থানার অধীনে।

এবিষয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খায়রুল আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ভুক্তভোগীদের থানায় পাঠিয়ে দিন আমি ব্যবস্থা নিবো।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।