Friday, 4 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

কুষ্টিয়ায় সোহান'স কোচিং-এ ছাত্রীকে কু‌‌‌'প্রস্তাবের দায়ে থানায় অভিযোগ

admin • 08 Mar 2023, 02:29 PM • পঠিত 3 বার
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ায় সোহান'স কোচিং-এ ছাত্রীকে কু‌‌‌'প্রস্তাবের দায়ে থানায় অভিযোগ

ছাত্রীকে প্রেম ও কুপ্রস্তাবের দায়ে কুষ্টিয়ায় কলেজ মোড়ে অবস্থিত সোহান'স ভার্সিটি এন্ড এডমিশন কোচিং এর পরিচালকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর মা। এদিকে সোহান'স নিজেও একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন বলে মডেল থানা সুত্রে জানা যায়।

মঙ্গলবার (০৭ মার্চ) কুষ্টিয়া মডেল থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযুক্তরা হলেন,সোহান'স ভার্সিটি এন্ড এডমিশন কোচিং এর পরিচালক ও স্বতাধিকারী নাহিদুল ইসলাম সোহান(৩৫),ইংরেজি শিক্ষক ফয়সাল আহম্মেদ তুর্য(৩০) ও অফিস সহকারী আশরাফুল ইসলাম(৩২)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সামনে অবস্থিত সোহান'স ভার্সিটি এন্ড এডমিশন কোচিং এর ইংরেজি শিক্ষক ফয়সাল আহম্মেদ তুর্য (৩০) কোচিং করাকালীন ওই কোচিং-এরই মানবিক বিভাগে প্রস্তুতি ব্যাচের এক ছাত্রীকে (রোল-১৪০৭,ব্যাচ-৭৪) বেশ কয়েকবার প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দেয়।

 

এতে বিরক্ত হয়ে ওই ছাত্রী কোচিং-এর অফিস সহকারী আশরাফুল ইসলামকে বিষটি জানান।সে (আ) এ বিষয়ে কোনো ভ্রূক্ষেপ না করে ওই ছাত্রীকে প্রেম এবং কুপ্রস্তাবে রাজি হওয়ার পরামর্শ দেন।তাকে(আ) জানানোর কারণে ইংরেজি শিক্ষক তুর্য আবার ওই ছাত্রীকে অশ্লীল কথাবার্তা বলেন।

 

এবিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা কোচিং-এর পরিচালক ও স্বতাধিকারী নাহিদুল ইসলাম সোহানের ব্যবহৃত ০১৭১৭৮..... মুঠোফোন নম্বরে ফোন করে জানালে তিনি বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন।

 

কিন্তু ওই ছাত্রী মঙ্গলবার (০৭ মার্চ) দুপুর ১২:৩০ টার দিকে কোচিং-এ পড়তে গেলে তুর্য আবারও তাকে কুপ্রস্তাব সহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।একপর্যায়ে কোচিং-এর পরিচালক ও স্বতাধিকারী নাহিদুল ইসলাম সোহান ওই ছাত্রীকে একাকী ডেকে নিয়ে কোচিং-এ যেতে নিষেধ করেন এবং এবিষয়ে তুর্যকে কিছু বলতে পারবে না বলে জানান।এছাড়াও অভিযুক্তরা বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছেন বলে জানা গেছে।

এবিষয়ে সোহান'স ভার্সিটি এন্ড এডমিশন কোচিং-এর পরিচালক ও স্বতাধিকারী নাহিদুল ইসলাম সোহান বলেন," আমি ক্লাস থেকে বের হয়ে ৫ মিনিটের মধ্যে কল দিচ্ছি। তবে ৩০ মিনিট অতিবাহিত হলেও তিনি ফোন দেয়নি।

 

এবিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খাঁন মুঠোফোনে বলেন," থানাতে পাল্টাপাল্টি দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।