কুমারখালী প্রতিনিধি:
কুমারখালীতে অষ্টম শ্রেণি পাশের সনদ বিক্রির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বুজরুক বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাংবাদিকরা গেলে প্রধান শিক্ষক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে নিয়ে আসা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক মোনায়েম খানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি জানান ইতোমধ্যে সনদ বিক্রির বিষয়ে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রাক্তন শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি বজরুক বাঁখই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৩ সালে জেএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হন।
পরবর্তীতে চাকরির ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণি পাশের সনদের প্রয়োজন হলে প্রধান শিক্ষকের কাছে গেলে প্রধান শিক্ষক এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৫২ হাজার টাকায় রফা হয়। ২০০৯ সালের ব্যাকডেটে অষ্টম শ্রেণি পাশের সনদ হাতে লিখে দেওয়া হয়। সনদে জাহাঙ্গীর হোসেন বুলু নাম ব্যবহার করা হয়।
পরবর্তীতে সনদ কাজে না লাগলে তিনি প্রধান শিক্ষক মোনায়েম খানের কাছে টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানান। প্রধান শিক্ষক মোনায়েম খান সনদ বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এগুলো তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে জাহাঙ্গীর নামে কোনো ছেলেকে তিনি চেনেন না।
সিল এবং স্বাক্ষরের বিষয়ে বলেন, নকল করা হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এজাজ কায়সার জানান, এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।





