Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

কুমারখালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের বাথরুম বিক্রির অভিযোগ

admin • 29 Jul 2025, 08:37 PM • পঠিত 3 বার
শেয়ার করুন:
কুমারখালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের বাথরুম বিক্রির অভিযোগ
দেশের প্রথম নারী বিদ্যাপিঠ হিসাবে পরিচিত " কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। কুমারখালী সরকারি  মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, যেটি কুমারখালী সরকারি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী বালিকা বিদ্যালয়। এটি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী পৌরসভায় অবস্থিত। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৮৬৩ সালে এবং এটি অবিভক্ত বাংলার তৃতীয় এবং বাংলাদেশের প্রথম বালিকা বিদ্যালয়।  তবে বিদ্যালয়টির বাথরুম চুরি কান্ডে এখন তুমুল আলোচনায় রয়েছে। বিদ্যালয়ের বাথরুম গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক সন্তোষ কুমার মোদকের বিরুদ্ধে। জানাযায়, সাম্প্রতিক  বিদ্যালয়ের একটি পুরাতন ভবন বিক্রির জন্য টেন্ডার হয়।
সেই ভবন বিক্রি কমিটির আহবায়ক ছিলেন ,উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার, সদস্য সচিব ছিলেন কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক ও সদস্য ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হক। তবে টেন্ডার পরবর্তী সেটি একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পেয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি পুরাতন ভবন ভাঙ্গা শুরু করলে প্রতিষ্ঠানের পাশে বড় একটি বাথরুমও গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির এই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
টেন্ডারের কোথাও বাথরুমসহ ভবন বিক্রির বিষয় উল্লেখ না থাকলেও প্রধান শিক্ষক তা সয়ং বিক্রি করে বসে আছেন বহাল তবিয়তে, আর বাথরুম বিক্রির করে নিজের পকেটে ঢুকিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে বিক্রির টেন্ডারের নথি চাইলে কমিটির আহবায়ক ফোন করে বলে দিয়েও তিনি দেখাননি এই প্রতিবেদককে। লুকিয়েছেন কাগজও। এছাড়ও এবিষয়ে সাংবাদিকদের আনাগুনা শুনে পুরাতন ভবনের ভাঙ্গা ৮০০পিচ ইট রেখে দিয়ে বাথরুমের ইট বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টাও চালাচ্ছেন ওই প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য প্রমানসহ রয়েছে এই প্রতিবেদনে কাছে যা পরবর্তী পর্বে সংবাদে প্রচার করা হবে।
এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক জানান, বাথরুমটি পুরাতন ছিল তাই তাদের দিয়ে দিয়েছি। ভাঙতে অনেক খরচ হতো এতে প্রতিষ্ঠান উপকৃত হয়েছে। তবে এটি আইন মেনে হয়েছে কিনা?  ম্যানেজিং কমিটি জানে কিনা? টেন্ডারে  ছিল কিনা এমন প্রশ্নের কোন কোন উত্তর তিনি দিতে পারেন নি। রেজুলেশনও করা নেই বলে জানান তিনি।
একটি প্রতিষ্ঠানের এমন ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির আহবায়কের কাছে তিনি জানান, শুধু মাত্র পুরাতন একটি ভবন বিক্রির কথা ছিল। বাথরুম বিক্রির কোন বিষয় উল্লেখ ছিলনা।  আমি শুধুমাত্র ভবন বিক্রির বিষয়টা জানি।
এবিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কুমারখালী সরকারি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমারও জানা নেই আপনাদের মাধ্যমেই জানছি। তবে তিনি যদি বাথরুমও বিক্রি করে থাকেন তাহলে অবশ্যই সেটি নিয়ম বহির্ভূত কাজ করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি দ্রুতই তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিব।
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।