পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালী ছাত্র ছাত্রীদেরকে সমান অনুপাতে বৃত্তি প্রদানের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ,বান্দরবান জেলা শাখা।
মঙ্গলবার (৯ মে) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে এই স্মারকলিপি জমা দিয়েছে পিসিসিপি বান্দরবান জেলা শাখা।
প্রতি বছর তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। প্রতি বছরেই উক্ত শিক্ষাবৃত্তির ক্ষেত্রে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে সুবিধা দেওয়া হয় ও আরেকটি সম্প্রদায়কে বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ।
গত অর্থ বছরের শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্ত তালিকায় দেখা যায় উক্ত শিক্ষাবৃত্তি প্রাপ্তদের মাঝে তিন জেলায় বৃত্তি পেয়েছে মোট ২ হাজার ১৮৩ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে বাঙ্গালী শিক্ষার্থী মাত্র ৬০০ জন এবং অবাঙ্গালী তথা বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ১ হাজার ৫৮৩ জন। ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠীর মধ্যে শুধু মাত্র চারটি সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এই বৃত্তিতে। যার শতকরা হিসেব করলে দাড়ায় বাঙ্গালি ২৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭২ দশমিক ৫১ ভাগ।
অথচ তিন পার্বত্য জেলায় ৫০% জনগোষ্ঠী বাঙ্গালি। এই দুই সম্প্রদায়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যার ব্যবধান ৪৫ শতাংশের বেশী। যার কারনে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পাহাড়ি-বাঙ্গালিদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এর আগেও অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থ বছরেও পাহাড়ী-বাঙ্গালী শিক্ষার্থীদের মাঝে একই বৈষম্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পিসিসিপি।
স্মারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবান জেলার সভাপতি আসিফ ইকবাল, সাধারন সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদ, বান্দরবান সদর উপজেলার সভাপতি জমির উদ্দিন, পিসিসিপি বান্দরবান জেলার দপ্তর সম্পাদক তানভির হোসেন ইমন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান এর পক্ষে উক্ত স্মারকলিপি গ্রহন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলি আবু বিন মোহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত





