Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
এক্সক্লসিভ

লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ ৫ জনের মৃত্যু

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের তিনজনসহ ৫ জনের মৃত্যু

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই এলাকার ৫ জন নিহত হয়েছেন। উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে এই দুর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অন্য ঘটনায় এক দম্পতি রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে। ওই সময় পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।