Saturday, 31 October 2026
শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ হাদি হত্যার বিচার না হলে ১৮ ডিসেম্বরের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করল সরকার এইচএসসির ফলাফলে শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরা সরকারি বাসা থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়া সরানোর কড়া নির্দেশ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন চলন্ত সিএনজিতে হঠাৎ আগুন, নেভাতে গিয়ে মিলল ২৫ বোতল ভারতীয় মদ কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে কলেজ ছাত্রদল সভাপতিকে বহিষ্কার দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটে ভোগান্তিতে যাত্রীরা
জেলার খবর

রিসোর্টে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ১৬ তরুণ-তরুণী আটক,৮ জনকে বিয়ে

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
রিসোর্টে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ১৬ তরুণ-তরুণী আটক,৮ জনকে বিয়ে

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার রিজেন্ট পার্ক ও রিসোর্টে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ১৬ জন ছেলে-মেয়েকে আটক করে স্থানীয়রা। তাদের মধ্যে ৮ জনকে বিয়ে করিয়ে দেন স্থানীয় মুরব্বিরা। বাকিদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম রিজেন্ট পার্ক ও রিসোর্টে এই ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমার উপজেলার সিলাম এলাকার রিজেন্ট পার্কে শুরু থেকেই অসামাজিক কার্যকলাপ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি নামে পার্ক হলেও রাখা হয়েছে বেশ কয়েকটি বিশ্রামের কক্ষ। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা এসব কক্ষ ভাড়া নিয়ে নিরাপদে অসামাজিক কার্যকলাপ করে।

 

এ সুযোগে পার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে। রবিবার অন্তত ১৬ ছেলে-মেয়ে কয়েকটি কক্ষ ভাড়া নেয়। খবর পেয়ে বেলা ২টার দিকে স্থানীয়রা এসে পার্কে হানা দিয়ে তাদের কক্ষের ভেতরেই আটক করে। এসবের নেতৃত্ব দেন সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজুল। তিনি সহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন মুরব্বি ও যুবকরা বিয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মোগলাবাজার থানা পুলিশ। পুলিশ ওই ছেলে-মেয়েদের তাদের জিম্মায় নিতে চাইলে স্থানীয়রা বাধা দেন।

 

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজুল সাংবাদিকদের বলেন, অসামাজিক কার্যকলাপ সংঘটিত হওয়ার খবর পেয়ে আমরা এখনে এসেছিলাম। ৮টি জুটিকে স্থানীয়রা আটক করে। পুলিশ চেয়েছিল আইনগত ব্যবস্থা নিতে কিন্তু আমাদের মুরব্বিরা চাননি তাদের পুলিশের কাছে দিতে। যেহেতু এটা স্পর্শকাতর বিষয় তাই সবাই সামাজিকভাবে এটা শেষ করতে চেয়েছেন। তাই কাজীর মাধ্যমে ৪ জুটিকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুপক্ষের সম্মতিতে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কাবিন ১০ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

 

এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, ‘সেখানে স্থানীয় অনেক লোকজন ছিল। তারা ওই ছেলে মেয়েদের আমাদের কাছে দেয়নি। সেখানে অনেক স্থানীয় লোকজন ছিল। তারা বলেন সামাজিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা পুলিশের কাছে দেব না।

 

অভিভাবক ডেকে তাদের দিয়ে দেবে। বিয়ে তারা দিবেন কি না আমাদের বলেনি। বিয়ে হয়েছে কি না আমি বলতে পারব না। এখনকার সিচুয়েশেনতো জানেনই কেমন। আমরা চেষ্টা করেছিলাম তাদেরকে আমাদের জিম্মায় নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। কিন্তু সেটা করা যায়নি।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।