Monday, 19 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
জেলার খবর

রাঙামাটিতে ভুয়া চিকিৎসকের দুই বছরের কারাদন্ড

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
রাঙামাটিতে ভুয়া চিকিৎসকের দুই বছরের কারাদন্ড

রাঙামাটির লংগদুতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাসুদ রানা (৪৫) নামে ভুয়া চিকিৎসককে আটককরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার মাইনীমূখ বাজারের মাইনীমূখ মেডিকেল সেন্টার নামক একটি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব উদ্দিন।

অভিযানে মাসুদ রানা (৪৫) নামের একজন প্রতারককে আটক করে দুই বছরের সাঁজা দেন ভ্রাম্যামাণ আদালত। অভিযোগ আটক মাসুদ রানা ‘ডা. মাসুদ করিম’ নামের একজন চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ডিগ্রি ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আটক মাসুদ রানা নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বিমান বন্দর সড়কের হাতিখানা নামক এলাকার আব্দুল হান্নানে ছেলে।

   

এই প্রতারক চিকিৎসক গত রোববার থেকে মাইনীমূখ মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি বাঘাইছড়ি ও এবং লংগদুর করল্যাছড়িতে ডায়গনস্টিক সেন্টার ও ফার্মেসীতে বসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করেছে।

 

আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন লংগদু সরকারি হাসপাতের মেডিকেল অফিসার তাহসিন আহম্মেদ, লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল উদ্দিন, এস আই শাহাবুর আলম, এস আই আরিফ উপস্থিত ছিলেন।

   

এ বিষয়ে ওসি ইকবাল উদ্দিন জানান, প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানাকে ভ্রম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই বছরের সাঁজা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আসামিকে থানা হাজতে রাখা হয়েছে।

   

লংগদু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আকিব উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয়টি জানান পর বিকেলে অভিযান পরিচালনা করি। তিনি তার স্বপক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি। তাই তার বিরুদ্ধে দুই বছরের সাঁজা দেয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, প্রতারক পরে নিজে স্বীকার করেছে তিনি এমবিবিএস নন। তিনি ‘ডা. মাসুদ করিম’ নামের একজনের নাম ও আইডি নাম্বার ব্যবহার করছেন।

   

আইডি নাম্বারের সূত্র ধরে জানা যায়, তিনি ঢাকায় কর্মরত আছেন। প্রতারক এর আগেও কয়েকবার এই ধরনের ঘটনার জন্য জেলও খেটেছেন। বের হয়ে জায়গা পরিবর্তন করে আবারও একই কাজ করেন বলে জানান তিনি।

 

খোজঁ নিয়ে দেখা গেছে, আটক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে আগেও চিকিৎসকের নামে প্রতারণার অভিযোগে কুষ্টিয়া, হবিগঞ্জ ও পাবনা জেলায় মামলা হয়েছিল।

 
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।