Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজির ফ্ল্যাটে ডিবির অভিযান, মাদকসহ আটক ৮৫ গৃহবন্দী অং সান সু চিকে বই ও চিঠি পাঠালেন রাজা তৃতীয় চার্লস ৬ দিন বন্ধ থাকবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম রংপুরে রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ ফ্যান ও ১ ফ্রিজে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মসজিদে নামাজরত অবস্থায় জামায়াত কর্মীর মৃত্যু বাসায় রসগোল্লা তৈরির সহজ পদ্ধতি প্রধানমন্ত্রী ফজরের নামাজের পর থেকে শেষ রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী পূজায় অংশ নিলে মুসলমানদের ঈমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররমের খতিব
জেলার খবর

বিয়ের দাওয়াতে আংটি না আনায় ৪ অতিথিকে মারধর

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
বিয়ের দাওয়াতে আংটি না আনায় ৪ অতিথিকে মারধর

লক্ষ্মীপুরে বিয়ের দাওয়াতে আংটি না আনার কারণে হামলা চালিয়ে ৪ অতিথিকে মারধর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের করাতিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিলে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়।

আহতরা হলেন- জান্নাত আরা (১৯), রহিমা বেগম (৩০), আবদুর রহিম (২৭) ও নাফিসা আক্তার (৩)। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহতরা জানায়, ৪ মাস আগে হোটেল শ্রমিক রিয়াদ হোসেনের সঙ্গে বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের বাঁঙ্গাখা গ্রামের চৌধুরী মিয়ার মেয়ে জান্নাত আরার পালিয়ে বিয়ে হয়। রিয়াদ চররমনী মোহন ইউনিয়নের নুরু বেপারীর ছেলে। এ ঘটনায় জান্নাতের পরিবার সদর থানায় জিডি করে। পরে সামাজিকতা চিন্তা করে পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠায়। এর পর থেকেই বিভিন্নভাবে যৌতুক দাবি করে রিয়াদ। বাধ্য হয়ে পরিবারের কাছ থেকে দু'দফা ২০ হাজার টাকা করে জান্নাত তার স্বামীকে দেয়। এরপরও রিয়াদ যৌতুকের টাকা দাবি করে।

তারা আরও জানায়, রিয়াদের ছোট বোনের বিয়ের দাওয়াতে তারা করাতির হাট যায়। এসময় উপহার হিসেবে কি আনা হয়েছে তা জানতে চায় জান্নাতের শ্বশুর বাড়ির লোকজন। একপর্যায়ে স্বর্ণের আংটি এনেছে কি না তা জানতে চাই। উত্তর না দেওয়ায় জান্নাতের শ্বশুর বাড়ির লোকজন অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ শুরু করে। এনিয়ে প্রতিবাদ করতেই জান্নাতকে তার শ্বশুর নুরু বেপারী মারধর শুরু করে। এতে বাধা দিলে জান্নাতের ভাই আব্দুর রহিম, বোন রহিমা বেগম ও ভাগনি শিশু নাফিসাকেও মারধর করা হয়।

আবদুর রহিম বলেন, আংটি না নেওয়ায় আমাদের মারধর করা হয়েছে। পরে ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

বক্তব্য জানতে রিয়াদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামরুল সরকার বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আবদুল মোমিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভূক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।