Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে নাটমন্দির পরিদর্শনে এমপি বাবুল, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে যে ফিচার আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল :স্পিকার আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজির ফ্ল্যাটে ডিবির অভিযান, মাদকসহ আটক ৮৫ গৃহবন্দী অং সান সু চিকে বই ও চিঠি পাঠালেন রাজা তৃতীয় চার্লস ৬ দিন বন্ধ থাকবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম রংপুরে রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ ফ্যান ও ১ ফ্রিজে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
জেলার খবর

বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককে পেটালেন সহকারী শিক্ষক

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককে পেটালেন সহকারী শিক্ষক

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নে সহকারী শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় অনুষ্ঠানের মানপত্র আনতে দেরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন বিদায়ী শিক্ষক ও তার দুই ছেলে।

 

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ওই ইউনিয়নের জন্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেনকে নিয়ে উপজেলার বাজার থেকে মানপত্রটি সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানে যান। পরে বিদায়ী শিক্ষক জয়নুল আবেদীন প্রধান শিক্ষককে মানপত্র আনতে দেরি হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করেই অকথ্যভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এর প্রতিবাদ করলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

 

আহত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, রোববার দুপুরে শিক্ষক জয়নুল আবেদীনের অবসরজনিত বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। মানপত্র তাকে দিতে একটু দেরি হওয়ায় সে ও তার দুই ছেলে মিলে আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। আমি এখন হাসপাতালে ভর্তি।

 

জন্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন জানান, চোখের সামনে যা ঘটেছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। একজন প্রধান শিক্ষককে আরেকজন সহকারী শিক্ষক কীভাবে প্রকাশ্যে মারধর করতে পারেন?

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুসাব্বির হোসেন জানান, ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক সশরীরে অফিসে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে একটি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগপত্র হাতে পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক জয়নুল আবেদীনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আহত শিক্ষক থানায় এসেছিলেন। উনাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।