Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম
এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল কলেজে ১৭ শিক্ষকের ১৩ শিক্ষার্থী,পাস করেনি কেউ ! বলাৎকার ও ধর্ষণ নিয়ে যে হুঁশিয়ারি দিলেন ডিআইজি কুদ্দুছ শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী মন্ত্রীদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর ভাঙা রাস্তা পেরিয়ে ৫ কিলোমিটার দূরের দুর্গম এলাকায় ভোটকেন্দ্র!, প্রতিবাদে মানববন্ধন গাজীপুরে শ্রমিক অবরোধ: পুলিশ বক্সে আগুন, বিজিবি মোতায়েন জামালপুরে ৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন, গাজীপুরে বিজিবি মোতায়েন রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৫
এক্সক্লসিভ

বিজয় দিবস নিয়ে ফেসবুকে মিজানুর রহমান আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
বিজয় দিবস নিয়ে ফেসবুকে মিজানুর রহমান আজহারীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

মহান বিজয় দিবস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইসলামি আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী। এতে তিনি বলেন, এবারের বিজয়-দিবসটি অন্যরকম। সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি।

 

কারণ, জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি যে এখনো তাজা। স্বাধীনতা ২.০ এর স্বাদ নিয়ে আমরা উদযাপন করছি— এবারের বিজয়ের দিনটি। কিন্তু আজকের এই দিনে দাঁড়িয়ে আমি খুব করে ভাবতে চাই— জুলাই আন্দোলনে শহিদ ও আহত ভাই-বোনদের ত্যাগের যথাযথ মূল্য কি আমরা দিতে পারছি?

 

তিনি বলেন, একাত্তরে আমরা লড়াই করেছিলাম— জালিম রেজিমের বিরুদ্ধে। অন্যায় আর বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কিন্তু বছর না-ঘুরতেই আমাদের সেই বিজয় লুট হয়ে যায়। দেশ চলে যায় পুঁজিপতিদের পকেটে, কালচারাল এলিটদের দখলে। যার ফলাফল— ৭৪ এর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। যার ফলাফল— নিজ দেশে থেকেও আমরা কোণঠাসা।

 

আজহারী বলেন, এই কালচারাল এলিটরা বিগত ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিজেদের খায়েশমতো ফ্রেইমিং করেছে। মুক্তিযুদ্ধে যেখানে অংশই নিয়েছে এদেশের আপামর মুসলিম জনতা, সেখানে মুসলিমদেরকেই বানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ। দাড়ি-টুপিকে বানিয়েছে রাজাকারের প্রতীক। কালচারাল এলিটদের এই তীব্র মেরুকরণের ফলাফল— আজকের বৈষম্য আর ফ্যাসিজম। তাই বিজয়ের দিনে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই— জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার প্রতীক ছিল মুসলিম ভাতৃত্ববোধ। তাদের হৃদয়ে ছিল শহিদি আকাঙ্ক্ষা। মজলুম, শহিদ, আল্লাহর সাহায্য— এসব পরিভাষাই সেদিন আন্দোলনকে ট্রিগার করেছিল। মানুষকে চুম্বকের মতো টেনে এনেছিল রাজপথে। একাত্তরও এর ব্যতিক্রম কিছু ছিল না।

 

তিনি লিখেন, বিজয়ের এই দিনটা উদযাপনের। একইভাবে ভবিষ্যত-কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবার। আমরা এমন একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই— যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। এমন একটা বাংলাদেশ, যেখানে কারো ধর্মীয় মূল্যবোধকে দমন করতে, কোনো 'জ*ঙ্গী' নাটক সাজানো হবে না। এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর হাম*লার ছক আঁকা হবে না। যেখানে নিশ্চিত হবে সকল বিশ্বাসের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। আগামীর বাংলাদেশ হবে জনতার বাংলাদেশ।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।