মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে এ লিখিত আবেদন জমা দেন ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের সাধারণ ও সংরক্ষিত সদস্যরা। স্বাক্ষরকারী সদস্যরা হলেন, মোঃ সুজা মিয়া, আব্বাছ মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, মোঃ আব্দুর রহমান মুন্সি, শারমিন আক্তার আক্কেল, হুমায়ুন কবির, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাছুম মিয়া বাবলু এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোছাঃ সুজেদা বেগম, সাজেদা বেগম ও ফরিদা বেগম।
অভিযোগে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদ শূন্য হওয়ার পর হামিদুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ইউপি ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, উন্নয়ন প্রকল্প, টিআর, কাবিখা ও কাবিটাসহ সব কার্যক্রম তিনি নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করছেন।
এ ছাড়া মাসিক সমন্বয় সভা না করে সদস্যদের জোরপূর্বক রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর নেওয়া, প্রতিবাদকারীদের হুমকি-ধমকি ও গালিগালাজ করার অভিযোগও আনেন তারা। অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইউপি সদস্যরা কোনো মাসিক সম্মানী ভাতা পাননি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে তাদের বলা হয়, ভাতা পেতে হলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিতে হবে।
এ ঘটনায় অতিদ্রুত সময়ে একজন প্রশাসক নিয়োগের দাবি জানান ইউপি সদস্যরা.
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, অভিযোগপত্রটি হাতে পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





