গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ বাহিনীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের কথা বলে প্রতারণার দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
বুধবার (১ মার্চ) গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে মামলার মূল আসামি আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল পলাতক রয়েছেন। এর আগে সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধা পুলিশ লাইন্স মাঠে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের পরীক্ষা চলাকালে সন্ধ্যার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গাইবান্ধা শহরে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে গোলাম রব্বানী (৩৮), আলী বকসের ছেলে শাহ আলম (৩৬), শামছুল হকের ছেলে সাজেদুল ইসলাম (৪৩) ও হোসেন আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪০)।
পলাতক ব্যক্তি হলেন, সর্বানন্দ ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের গ্রামের ইমান উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল (৪০)। তিনি এ ঘটনার হোতা ও মামলার এক নম্বর আসামি।
পুলিশ জানান, জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে পুলিশ কনস্টেবল পদে তার ছেলের চাকরি দেওয়ার কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা ও আরেক জনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্রটি। পরে জাকারিয়া ওই ব্যক্তি চক্রটির প্রতারণা বুঝতে পেরে থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ করেন। এ সময় গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধা সদর এলাকা থেকে প্রতারক চক্রকে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে প্রতারক দলের হোতা আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল পলাতক রয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় প্রতারণার মামলা হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামি রাসেলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।





