Monday, 19 October 2026
শিরোনাম
গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশিদের বড় সুখবর দিলো জাপান মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘সোনার ডিম’ কুষ্টিয়ায় লালন আখড়া বাড়ির ভেতর থেকে ‘বোমাসদৃশ’ বস্তু উদ্ধার সিরাজগঞ্জে ৫৫১ পূজা মণ্ডপে সাড়ে ৫৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি স্পিকারের শুভেচ্ছা রাতের আঁধারে জলাশয় থেকে মাছ চুরির অভিযোগ কুমারখালীতে ১৩ পূজামণ্ডপে বিএনপির আর্থিক সহায়তা প্রদান মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
জেলার খবর

‘নেশাগ্রস্ত' অবস্থায় গাড়ি চালানোয় ঘটেছে দুর্ঘটনা’

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
‘নেশাগ্রস্ত' অবস্থায় গাড়ি চালানোয় ঘটেছে দুর্ঘটনা’
নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোয় রংপুরের তারাগঞ্জে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৯ জন এবং আহত প্রায় অর্ধশতাধিক যাত্রী। তাদের মধ্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন ৭ জন। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।   রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে তারাগঞ্জের খারুভাজ সেতুর কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন- তারাগঞ্জের হাড়িয়ালকুঠি এলাকার আনোয়ার হোসেন (৩৫), সৈয়দপুরের কুণ্ডল এলাকার মহসিন হোসেন ( ৪২), পল্লি চিকিৎসক আনিছুর রহমান (৪৮), ধনঞ্জয় রায় (২৭) ও জীবন রহমান (২৮); সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা (২২), গাইবান্ধার সাদেক আলী (৬৫)। অপর দুজনের পরিচয় জানা যায়নি।   স্থানীয়রা জানায়, প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেই রাত ১২টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের শলেয়াশাহ খারুভাজ সেতুর কাছে জোয়ানা পরিবহনের সঙ্গে ইসলাম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে। ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৪ জন মারা যায়।     হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জোয়ান পরিবহনের যাত্রী আমজাদ হোসেন বলেন, ‌রংপুর মেডিকেল মোড় থেকে বাস ছাড়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে। সিট বাদেও বাসের ছাদে অনেক যাত্রী তোলেন তারা। এরপর হেলপারের সঙ্গে মাদক সেবন করতে করতে বাস চালান চালক। এ সময় বাসের ভেতর গাঁজার ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে কয়েকজন যাত্রী প্রতিবাদ করেন।     কিন্তু তারা কারও কথা শোনেননি। দ্রুত বাস চালিয়ে সৈয়পুরের দিকে যাওয়ার পথে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যেও চালক বাসের গতি কমাননি। তখন যাত্রীরা ধীরে চালানোর অনুরোধ করলেও শোনেনি। হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। আর কিছুই মনে নেই। জ্ঞান ফেরার পর দেখি আমি হাসপাতালে।     এদিকে অনেকে স্বজনদের খোঁজে সকাল থেকে হাসপাতালে ভিড় করছেন। রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান জানান, নিহতদের দাফনের জন্য পরিবারকে ২০ হাজার করে টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার জেলা প্রশাসন নিয়েছে। এ ছাড়া তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। মিরর/ এএ.ইচ
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।