জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজের ৫ দিন পর নদীর কচুরীপানার নিচ থেকে শাওন আহমেদ (১৪) নামে এক স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার ( ২৮ ডিসেম্বর) ভোররাতে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের যমুনার শাখা কেকরা নদীর কচুরীপানার নিচ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর নিখোঁজ হয় ওই শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থী শাওন ওই ইউনিয়নের চরগোবিন্দি এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে। সে বঙ্গবন্ধু হাইস্কুলের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
আটককৃত তিন যুবক হলেন, উপজেলার আজিজপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. বিদ্যুৎ (১৮), মাদারগঞ্জ উপজেলার ধলির বন্দ গ্রামের আলিমুদ্দিন প্রমাণিকের ছেলে মো. ইসমাইল (২১) ও একই গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সুমন ইসলাম আনন্দ (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর স্কুল শিক্ষার্থী শাওন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুজি করে তাকে না পেয়ে শাওনের বাবা গোলাম মোস্তফা মেলান্দহ থানায় নিখোঁজের অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অনুসন্ধান করে শাওনের মোবাইলসহ ওই গ্রামের পাশে প্রথমে মো. বিদ্যুৎকে আটক করে মেলান্দহ থানা পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাওনের লাশ উদ্ধারসহ অভিযুক্ত অপর দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে। তদন্তের পর মৃত্যুর বিস্তারিত জানা যাবে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।





