জামালপুরের ইসলামপুরে ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলালের সঙ্গে দেখা করে বের হওয়ার সময় যুবকের কোমরে পিস্তল দেখে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাদের মারধর করে পুলিশে দিয়েছে। রোববার (৭ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে ইসলামপুর পৌর শহরের জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন- মেলান্দহ উপজেলার বয়রাডাংগা এলাকায় হাজী আবুল হোসেনের ছেলে তানভীর আহমেদ তপু ও ওই উপজেলার পাছুরপাড়া আলতাফুর রহমানের ছেলে নিহাল আহমেদ ললাট (২৫)
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলাল ওই রাতে ডাক বাংলোর ভবনের একটি কক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় চলাকালে ওই দুই যুবক ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলেন। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তানভীর আহাম্মেদ তপুর কোমরের পিছনে একটি পিস্তল দেখতে পান। ধর্মমন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সন্দেহে কয়েকজন নেতাকর্মী ওই দুই যুবককে মারপিট করতে থাকে।
ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাস বলেন, ডাক বাংলোতে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের আশেপাশে দুই যুবককে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। এসময় তাদের একজনের কোমরে পিস্তল দেখতে পায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পরে তারা দুই যুবককে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দুই যুবককে থানায় নিয়ে আসে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা পিস্তলটি খেলনার। সেটা গ্যাস লাইট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তারা কী কাজে এখানে এসেছে বা তাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কিনা, এবিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন তালুকদার বলেন, ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুই যুবক বের হয়ে যাওয়ার সময় জুতা পড়তে গেলে তাদের একজনের কোমরের পেছনে পিস্তল সদৃশ কিছু দেখতে পায় উপস্থিত নেতাকর্মীরা। পরে তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। এ সময় দুই যুবককে আটক করে থানায় আনা হয়। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলালের মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।





