Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
এক্সক্লসিভ

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

দ্বিতীয় বিয়ে করায় ক্ষোভ থেকে পাঁচ বছর আগে ঢাকার মহাখালী এলাকায় স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো করার দায়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে রাজধানীর মহাখালী এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি ঘটে, যা সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। মামলার এজাহার অনুযায়ী, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় তার ওপর চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রথম স্ত্রী ফাতেমা বেগম শিল্পী। এরই জেরে তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ গোপন করার উদ্দেশ্যে মরদেহের মাথা, হাত ও পা কেটে মোট ৬টি টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর মহাখালীর আমতলী সড়ক থেকে নিহতের মূল দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মহাখালীর এনা বাস কাউন্টারের সামনের সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন দুই হাত ও দুই পা এবং বনানী ১১ নম্বর রোডের লেক থেকে নিহতের মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জড়িত থাকার অভিযোগে প্রথম স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিক আলামতের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।