Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
এক্সক্লসিভ

থার্টি ফার্স্টে বন্ধ থাকবে বার, হামলার হুমকি নেই

• • পঠিত 6 বার
শেয়ার করুন:
থার্টি ফার্স্টে বন্ধ থাকবে বার, হামলার হুমকি নেই

মাদকের অপব্যবহার রোধে আগামী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা বার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ‘বড়দিন’ এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটের আইনশৃঙ্খলা ও আনুষঙ্গিক বিষয় সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

এসময় তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটকে ঘিরে কোনো ধরনের হামলার আশঙ্কা নেই। তারপরও সব দিক মাথায় রেখে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। ইংরেজি নতুন বছর বরণকে সামনে রেখে মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে আগামী ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযান চলবে।

মন্ত্রী জানান, এবার পাঁচ হাজার ৬৮২টি চার্চে বড়দিন উদযাপন করা হবে। সব চার্চেই নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার কোনো হুমকি আপাতত নেই। তারপরও আইন-শৃঙ্খলা বাহীনি কাজ করছে। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা না ফোটাতে সবার প্রতি আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিএনপি ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখা’ ঘোষণায় বলেছে— গত দেড় দশক ধরে গুম, হত্যা ও নির্যাতন হয়েছে এর প্রত্যেকটির বিচার করবে তারা। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও একটা স্টেপ নিচ্ছি। বিএনপির শাসনামলে ওই সময়ে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়েছে, বিচারহীনভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাদেরও একটা তালিকা তৈরি করছি। এটা একটা গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সেই সময় মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করা হয়। আমরা সেগুলোর একটা রিপোর্ট তৈরি করছি। সবকিছু নিয়েই তদন্ত হোক, সবকিছু নিয়েই একটা ব্যবস্থা হোক, এটা আমরাও চাই।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।