Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

ডাক্তার সেজে কলেজ ছাত্রীদের সঙ্গে প্রেমালাপ, যুবক আটক

admin • 13 Jan 2024, 08:23 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
ডাক্তার সেজে কলেজ ছাত্রীদের সঙ্গে প্রেমালাপ, যুবক আটক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীদের সঙ্গে ডাক্তার সেজে প্রেমালাপ করতেন এক যুবক। এভাবে প্রতারণা করার কারণে তাকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাতে সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়ার ঈদগাহ ময়দান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মারুফ হোসেন বাপী (২৮) নামের ওই যুবক শহরের মনজিতপুরের মৃত আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে।

 

তার বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সাইবার ক্রাইম এলার্ট টিমের অ্যাডমিন শেখ মাহবুবুল হক জানান, মারুফ হোসেন বাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে তাদের কাছ থেকে ভিডিও কলে বা হোয়াটসএ্যাপ-ম্যাসেঞ্জার-টেলিগ্রাপে ন্যুড ছবি সংগ্রহ করতেন।

 

সুবিধামতো সময়ে তাদেরকে ছবি ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। কখনও কখনও তাদেরকে শয্যাসঙ্গী হতে বাধ্য করতেন। সম্প্রতি দেশের স্বনামধন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী তার খপ্পরে পড়েন। সপ্তাহ দুয়েক আগে ওই ছাত্রীর পিতা সাতক্ষীরা সদর থানায় প্রতিকার চেয়ে একটি জিডি করেন। তার ভিত্তিতে মাঠে নামে পুলিশ।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অপরাধকারী বাপী ডা. আরমান হোসন নিলয় হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলতেন। অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ধারণ করে পরে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। কখনও অর্থ হাতিয়ে নিতেন, আবার কখনও শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে বাধ্য করতেন। সম্প্রতি থানায় করা একটি জিডির ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

 

একাধিক আইডি ও অন্যের নামের মোবাইল সিম ব্যবহার করে তিনি প্রতারণার সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। তাকে ধরতে পুলিশ ফাঁদ পাতে। শুক্রবার রাতে প্রতারণার শিকার জনৈকা নারীর মাধ্যমে বাপীকে উত্তর কাটিয়ার ঈদগাহ ময়দানে ডেকে আনা হয়। পুলিশ সেখান থেকে বাপীকে আটক করে তার সেলফোন ঘেটে একাধিক নারীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি পায়।

 

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোহিদুল ইসলাম জানান, আটক বাপীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালে প্রণীত পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(১),/৮(৫)(ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-১২। আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।