জামালপুরের মেলান্দহে রিথি মনি (১৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধা ৬টা দিকে উপজেলার চরবানুপাকুরিয়া ইউনিয়নের চরপলিশা উত্তর পাড়ার তালতলা এলাকায় ওই গৃহবধূর শশুর বাড়ী থেকে লাশ উদ্ধার করে মেলান্দহ থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা বলছে ওই গৃহবধূকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো। ঘটনার পর পুলিশ যাওয়ার খবর শুনেই পলাতক রয়েছে শশুর বাড়ির লোকজন। নিহত ওই গৃহবধূ ওই এলাকার আল মামুনের ছেলে গোলাম রাব্বি (১৭) এর স্ত্রী। ও বেতমারী এলাকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে চরপলিশা জাহানারা লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা জানান, চরপলিশা জাহানারা লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ে একই সাথে পড়াশোনার কারনে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সম্পর্ক থেকে এ বছরই ছেলে গোলাম রাব্বীর এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের বিয়ে হয়। প্রতিদিনের মতো আজও সকালে স্কুলে যায় ওই গৃহবধু। টিফিন সময়ে বাড়িতে চলে আসতে দেখে তারা। এর মধ্যে হঠাৎ শশুর বাড়ির লোকদের চিৎকার শুনা যায়।
পরে তারা গিয়ে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খরব দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনে। রিথির সাথে তার শশুর বাড়ির লোকদের মাঝে কলহ চলছিলো। তাদের ধারনা এরই জেরে ওই গৃহবধূকে শশুর বাড়ির লোকজন হত্যা করে রশিতে ঝুলিয়ে রেখেছিলো। পুলিশ যাওয়ার খবর শুনেই লাশ নামিয়ে তারা পালিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে কিছু ধারণা করা যাচ্ছেনা। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে। স্থানীয়দের থেকে শুনতেছি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে রয়েছে।
মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুুতি চলছে। মেয়ের মা বাবা ঢাকা আসতেছে তারা আসলে কথা বলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।





