কুষ্টিয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে আলামিন হোসেন নামের এক গ্রাম্য চিকিৎসককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কুষ্টিয়ার বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে আজ সোমবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলামিন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার শাকদহচর গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে। এ মামলার অপর আসামি ও আলামিনের প্রথম স্ত্রী জানেরা খাতুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী।
মামলার এজাহার এবং আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে শিউলি খাতুনকে বিয়ে করেন আলামিন। তাঁদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে মিরপুর উপজেলার হালসা গ্রামের হালসা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনিস্টিক সেন্টারের (বর্তমান হালসা বাজার জয় চিকিৎসালয়) দ্বিতীয় তলায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।
পারিবারিক কলহের জেরে ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে স্ত্রী শিউলি খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন আলামিন। পরে আশপাশের লোকজন টের পায়। খোঁজ পেয়ে মিরপুর থানা–পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আসাদুল বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, স্ত্রীকে হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় স্বামী আলামিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।





