Tuesday, 3 November 2026
শিরোনাম
করিমগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ৩ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিল শিশু ফারিহ ভালোবেসে বিয়ে, মাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী বিএসএফ সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটাল গ্রামবাসী, আহত ৩ সেই শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালেন আন্দোলনকারীরা ইসলামি বক্তা ডা.জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৮০ লাখ টাকা ‘ঘুষ দাবি’, দুদকের ফাঁদে হাতেনাতে আটক সার্ভেয়ার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন
জেলার খবর

কবিরাজের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ একই পরিবারের সাতজন

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
কবিরাজের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ একই পরিবারের সাতজন

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় কবিরাজের দেওয়া কৃমির ওষুধ খেয়ে শিশুসহ একই পরিবারের সাতজন অসুস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের কুড়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

  অসুস্থদের দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

অসুস্থরা হলো— উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামের ফারুখ মিয়া (৩৫), কামরুন নাহার (৩০), রাবিয়া বেগম (৬০), হুসনে আরা (৬৫), মুজাহিদ (৯), ইকরা (৭) ও ইলমা (৩)। এরা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

অসুস্থদের স্বজনরা জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় বিজয়পুর গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে কৃমির ওষুধ আনেন ফারুখ মিয়া। আজ শুক্রবার সকালে সবাই একইসাথে খালি পেটে ওই ওষুধ খায়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই একে একে অজ্ঞান হতে থাকে। এসময় বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে যায় সেখানে। পরে অসুস্থ সবাইকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

 

অসুস্থদের স্বজন হনুফা আক্তার বলেন, ‘কবিরাজের দেওয়া কৃমির ওষুধ খেয়েই সবার এই অবস্থা।’

 

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, ‘গ্রামের কবিরাজের পরামর্শে পাহাড়ি ফল কৃমিনাশক হিসেবে খায়। এর ফলে একই পরিবারের সাতজনই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে শিশুদের অবস্থার বেশি অবনতি হয়েছে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্যে সাতজনকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।