Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

আসল বলে নকল স্বর্ণবার দেখিয়ে প্রতারণা আটক ২,অতঃপর...

admin • 21 Dec 2023, 09:13 PM • পঠিত 0 বার
শেয়ার করুন:
আসল বলে নকল স্বর্ণবার দেখিয়ে প্রতারণা আটক ২,অতঃপর...

জামালপুরের মেলান্দহে নকল স্বর্ণের বার দেখিয়ে প্রতারণা করার সময় দুই প্রতারক আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে দেয় স্থানীয়রা। পরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গেলে দুই প্রতারককে পুলিশে না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

গতকাল বুধবার (২০ ডিসেস্বর) রাত ৮ টা দিকে উপজেলার ভাবকী বাজারে নকল স্বর্ণের বার দেখিয়ে প্রতারণা করার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হয় দুই প্রতারক। আটকের ঘটনায় পরে আটককৃতদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়,'চরবানীপাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভিতর দুইজনকে আটকে রাখা হয়েছে। দুই প্রতারকের নাম পরিচয় বলেন এবং প্রতারণার বিষয় স্বীকার করে কিভাবে প্রতারণা করেন তা বলেন।

প্রতারকেরা হলেন, উপজেলার নয়ানগর এলাকার সাদু মিয়ার ছেলে জনি মিয়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের সিড়িঘাট এলাকার চান মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,'জামালপুর শহর থেকে অটো রিক্সায় করে এক নারী সহ দুই প্রতারক হাজরাবাড়ির দিকে যাচ্ছিল। এসময় নকল স্বর্ণের বার দেখিয়ে প্রতারণা করে স্বর্ণ অলংকার হাতিয়ে নেন। এসময় ওই নারী বুঝতে পেরে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে দুই জনকে আটক করে। পরে দুই আটক কৃতদের চরবানীপাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে তোলেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্য উপস্থিতিতে দুই প্রতারকের কে ছাড়ে দেন।

 

এ ঘটনায় স্থানীয়রা বলছেন,'দুই প্রতারককে ছেড়ে দেওয়া কোন ভাবেই ঠিক হয়নি। ছেড়ে দেওয়া মানেই তাঁরা আবার দুইদিন পর থেকেই এই প্রতারণা শুরু করবে। তাদের জেলে পাঠালে হয়তো প্রতারণা থেকে কিছুটা ভালো হতে পারতো তারা। ছেড়ে দেওয়া মানেই হইল তাঁরা সুযোগ পেল সুযোগ। এরপরে তারা প্রতারণা করতে আরো ভয় কম পাবে।

 

এ বিষয়ে চরবানীপাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদৎ হোসেন (ভূট্টো) মুঠোফোনে দ্যা ডেইলি মিরর অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিকে বলেন,'দুই প্রতারককে লোকজন ধরে ইউনিয়ন পরিষদে এনেছিল। এসময়ের লোকজন ধরে কিছু (উদ্যম মাধ্যম) মারধর দিয়েছে। কেউ বাদি হয়নি দুই প্রতারকই হিরোইন খোর (মাদক সেবী) ছিল ওদের নিয়ে কি করবে তাই পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের অভিভাবকদের ডেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সে সময় আমিও ছিলাম।

 

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহম্মাদ বলেন,'দুই প্রতারককে আটক করেছিল স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম চেয়ারম্যান মীমাংসা করে সেটা ছেড়ে দিয়েছে। আর এই ঘটনায় কেউ বাদী হয়নি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।