Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
এক্সক্লসিভ

‘আমিও নদীতে ঝাঁপ দেব, দেখবেন শরীরে দাগ হয় কি না’

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
‘আমিও নদীতে ঝাঁপ দেব, দেখবেন শরীরে দাগ হয় কি না’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের বাবা নুর উদ্দিন বলেছেন, যেখান থেকে পরে আমার ছেলে মারা গেছে সেখান থেকে আমিও একই উপায়ে পরবো। তারপর আপনারা (সাংবাদিকরা) দেখবেন যে পরশের মতো আমার শরীরে অতগুলো দাগ থাকে কি না জামার বোতাম লাগানো থাকে কি না। 

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নুর উদ্দিন অভিযোগ করেন, আমার ছেলের গায়ে যে পরিমান দাগ ছিলো সেগুলো কোথা থেকে আসলো। এগুলো তো কেউ বললো না। আমিও সেখান থেকে নদীতে পরে মারা যাবো। সেখান থেকে পরে এত দাগ আমার গায়ে হয় কি না তা দেইখেন আপনারা।

এই বাবা বলেন, ডিবি ও র‌্যাব পরিকল্পিত হত্যাকে অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও র‌্যাবের উপস্থাপন করা তথ্য মানতে রাজি নন তিনি। নিজ সন্তান ফারদিনকে ‘সুস্থ, সবল ও প্রাণবন্ত’ দাবি করে নুর উদ্দিন বলেন, ‘ফারদিন রাজনৈতিক কারণে হত্যার শিকার।’ তদন্তকারীরা ঘটনার মোড় ঘোরাতে চাইছেন। ‘এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সেটাকে অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। তারা কাকে বাঁচাতে চাইছে? আমি এটাও বলেছি, বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে, ওই দিকে কোনোরকম (ফারদিন) যায়নি।’

ফারদিনকে রাজনৈতিক কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করেন তারা বাবা। তিনি বলেন, ‘পলিটিক্যাল না হলে কেন হবে? আমার তো কোনো শত্রু নেই। আমার ছেলেটারও কোনো শত্রু নেই।’

তিনি বলেন, ‘রামপুরা থেকে শুরু করে যাত্রাবাড়ীর মাঝখানে পর্যন্ত এত এত রোমিং করল, কোথায় কোনো ফিজিক্যাল এভিডেন্স নাই।’

নূর উদ্দিন বলেন, ‘কেউ দেখে ফেলবে, লজ্জা পাবে? মরে যাওয়ার আগে কেউ লজ্জা পায়? যে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবে তার লজ্জা-শরমের ভয় আছে? পড়ে গেলেই পারে, সে সোজা, যেভাবে দেখছি ঝুলে নেমেছে। ঝুলে যদি কেউ নামে তার মাথা ও বুকে এত এত আঘাত কোত্থেকে এলো? সারা দেহের আর কোথাও ভাঙল না, কোথাও আর কিছু হয়নি।’

তিনি বলেন, আমার ছেলে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সেভ করে বের হয়েছে। একজন মারা যাবে সে সেভ করে বের হবে। এত কিছু পাওয়া গেলো, কিন্তু ১০টার পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোথায় ছিলো সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারছে না। আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।