জামালপুরের ইসলামপুরে দুর্নীতি, সেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছিল শিক্ষার্থীরা। এসময় অধ্যক্ষ না থাকায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয় হিসাব রক্ষক তাসলিমা আক্তারকে। পরে যৌথবাহিনীর সদস্যের সহায়তায় ২ ঘন্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইসলামপুর সরকারি কলেজ মাঠে এ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। পরে তারা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে রাখে।
শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানায়, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, মনগড়াভাবে ভূয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎসহ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে প্রফেসর ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়া গত তিন মাসে কলেজের ফান্ড থেকে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়া কলেজ অধ্যক্ষের সাথে সহকারী হিসাবরক্ষক তাসলিমা আক্তার সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ করেন তারা। এ অবস্থায় কলেজ অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করেছেন তারা। অধ্যক্ষ না থাকায় কলেজের প্রশাসনিক ভবনে আটকে রাখা হয় হিসাব রক্ষক তাসলিমা আক্তারকে৷ পরে যৌথবাহিনীর সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
জানা যায়, ওই নারী কর্মকর্তা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ বিন জালাল ওরফে প্লাবনের স্ত্রী। গত ২৫ জুন ২০২৪ তার সাথে অসদাচরণের অভিযোগে ইসলামপুর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাওন সরকারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আজ এ নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ।
এ বিষয়ে তাসলিমা আক্তারের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোনো কথা বলেননি
এদিকে অধ্যক্ষ-কে অপসারণ না করা হলে আরও বড় আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন আন্দোলনকারীরা। এ বিষয়ে কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে তার কোনো প্রমান নেই।





