আদালত থেকে জমি বুঝিয়ে দেবার পরও জমিতে যেতে পারছেন না মালিক পক্ষ। এমন অভিযোগ তুলে সম্মেলন করেছেন দেবীগঞ্জ পৌর সদরের মুন্সীপড়া এলাকার সাদেকুজ্জামান হীরা ও জমির অন্য শরীকগণ। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টয় পৌরসভার মুন্সিপাড়ায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিজেকে জমির মালিকপক্ষের একজন দাবি করে সাদেকুজ্জামান হীরা বলেন,পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীগঞ্জ মৌজার ৪৭ ও ৪৮ খতিয়ানে ১.০৩ একর জমি ফেরত পেতে জমির মালিকদের পক্ষে আদালতে বাটোয়ারা মামলা করেন পৌর সদরের নতুন বন্দর এলাকার এনামুল হক গং । মামলার বিবাদী হলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা এলাকার ইউসুফ আলী গং সহ ৮ জন। ২০১৫ সাল থেকে দীর্ঘ ১০ বছর মামলা চলার পরে রায় পান তারা। গত তারিখে গত ২৪ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালতের রায়ে ১.০৩ একর জমির স্বত্ব পায় বাদী পক্ষ। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে গত ১০ সেপ্টেম্বর
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জমিতে এসে দখল বুঝিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দেন।
আদালত থেকে জমি বুঝে পাবার পরদিন তারা সেই জমি চাষ করতে গেলে পুনরায় বিরোধীপক্ষের বাঁধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে গত ১৬ আগষ্ট তারা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করে পূণরায় জমি চাষের চেষ্টা করেন। সেদিনও বাঁধ সাধেন বিরোধী পক্ষ। সেদিন দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ ও সেনা সদস্যদের সাথে নিয়ে উক্ত জমিতে যান এবং উভয় পক্ষকে ডেকে আদালতের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখার পরামর্শ দেন। এক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষের কোন আপত্তি থাকলে পুনরায় আদালতে আপিল করার পরামর্শ দেন। সেই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথায় তারা সম্মতি দিলেও পরবর্তীতে তারা আদালতের রায় মানতে অস্বীকৃতি জানায়। সংবাদ সম্মেলনে তারা আরো অভিযোগ করে বলেন, গত ১৮ সেপ্টেম্বর জমি চাষ করতে গেলে তাদেরকে মারধর করা হয়।
এবিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সোহেল রানা বলেন, বিজ্ঞ আদালতের রায় অমান্য করার কোন সুযোগ নেই। বাদীপক্ষ চাইলে নিশ্চয়ই আমরা আইনগত সহায়তা করবো। বিরোধী পক্ষ রায়ে অসন্তুষ্ট হলে তারা আদালতে আপিল করতে পারেন, কিন্তু তারা বাধা দিতে পারেন না।





