জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার-প্রচারণা চালানোর অভিযোগ এসেছে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি পদপ্রার্থী শেখ সাদী হাসানের বিরুদ্ধে।
গতকাল রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১নং ছাত্র হলের ক্যান্টিনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা করেন এই ভিপি প্রার্থী।
জানা যায়, রবিবার রাতে ২১ নং ছাত্র হলে জনসংযোগ করেন ছাত্রদল মনোনীতি ভিপি পদপ্রার্থী শেখ সাদী। জনসংযোগের এক পর্যায়ে তিনি হলের ক্যান্টিনে ২৫ জনের অধিক জনসমাগম ঘটিয়ে সভা করে ভোট চান।
জাকসুর আচরণ বিধিমালার ৭ এর ক ও খ ধারা অনুসারে নির্বাচনকালে ক্যাম্পাসে যে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে এবং নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ব্যতীত সর্বোচ্চ ২৫ (পঁচিশ) জনের অধিক একসাথে জমায়েত হওয়া যাবে না।
আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে শেখ সাদী দাবি করেন, আমরা গতকাল ২১ নং হলে প্রচারণা করতে যাই এবং সেখানে আমার সাথে ২ থেকে ৩ জন ছিল। এখন সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ২৫ জনের বেশি ছিল কি না তা বলতে পারি না।
অভিযোগ অনুযায়ী ২৫ জনের বেশি উপস্থিতি ছিল এমনটি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমরা তো প্রচারণায় ২৫ জন যাইনি। আর ২৫ জনের বেশি মানুষের মাঝে প্রচারণা না করা গেলে যারা ক্লাসরুমে প্রচারণা করেন তারা তো ২৫ জনের বেশি উপস্থিতিতে যান। সেক্ষেত্রে তাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি কিভাবে দেখবেন নির্বাচন কমিশন?
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কমিশনার অধ্যাপক ড মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের কাছে লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ আসলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
ক্লাসরুমে ২৫ জনের অধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ব্যাপারে তিনি বলেন, ক্লাসরুমে তো শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবসময়ই ২৫ জনের অধিক থাকে। সেখানে শিক্ষকের অনুমতি সাপেক্ষে কেউ প্রচারণা চালালে তা আচরণবিধির লঙ্ঘন হবে না। তবে ক্লাসরুমের বাইরে কেউ ২৫ জনের অধিক জনসমাগম করে প্রচারণা চালালে তা অবশ্যই নির্বাচন আচরণবিধির লঙ্ঘন এবং লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সোহাগ/মিরর





