Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
ক্যাম্পাস

সেন্টমার্টিন দ্বীপে সরকারি বাধা-নিষেধ প্রত্যাহার চেয়ে জাবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

admin • 03 Dec 2024, 08:47 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
সেন্টমার্টিন দ্বীপে সরকারি বাধা-নিষেধ প্রত্যাহার চেয়ে জাবি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ( নারিকেল জিঞ্জিরা) যাতায়াত ও অবস্থানের উপর সব ধরনের সরকারি বাধা নিষেধ প্রত্যাহার চেয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের 'স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি জাবি' নামে একটি প্লাটফর্ম।

 

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে তারা এ সংবাদ সম্মেলনটি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন 'স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি জাবি' কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও অন্যান্য নেতৃস্থানীয়রা।

 

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাবি শিক্ষার্থী মুহম্মদ মাশরুফ আহমেদ। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, সম্প্রতি উপদেষ্টার নির্দেশে নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ (সেন্ট মার্টিন) যারায়াত ও অবস্থানের উপর সরকার বেশ কিছু বাধা-নিষেধ আরোপ করেছে। সরকারি বাধা-নিষেধগুলো নারিকেল জিঞ্জিরা ঘিরে ৪ ধরনের সমস্যা ও ঝুঁকি তৈরি করে। এক, সার্বভৌমত্ব ঝুঁকি, দুই, অর্থনৈতিক ঝুঁকি, তিন, পরিবেশগত ঝুঁকি, চার, দ্বীপবাসীর মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনগত ঝুঁকি।

 

নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপটি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জায়গা। ফলশ্রুতিতে ইতোমধ্যেই মিয়ানমার ও আরাকান আর্মি দ্বীপটিকে একাধিকবার তাদের বলে দাবি করে সরকারি ম্যাপেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। এখানে যাতায়াত ও অবস্থানে বাধা নিষেধের দ্বীপের ১০-১২ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা ও দেশের পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্বীপবাসী দ্বীপটি ত্যাগ করলে পার্শ্ববর্তী মিয়ানমারের মদ আরাকান ও ভারতীয় ছেলেদের এখানে আনাগোনা বেড়ে যাবে এবং সুযোগ পেলে দ্বীপটি দখলে নেয়ার চেষ্টা চালাবে।

 

জাতিসংঘের মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ১৩ ধারানুযায়ী মৌলিক ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এছাড়া বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ীও এটি মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। অতএব, দেশের অখণ্ডতা, পর্যটন শিল্প, পরিবেশ ও দ্বীপবাসীর মৌলিক ও মানবাধিকার রক্ষার্থে নারিকেল জিঞ্জিরা দ্বীপ ভ্রমণ, অবস্থান ও চলাফেরার অবাধ স্বাধীনতা নিশ্চিতে সকল বাধা-নিষেধ তুলে নিতে হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নত্তর পর্বে নারিকেল জিঞ্জিরায় সরকারি বিধিনিষেধ আরোপ করায় তা কিভাবে দেশের সার্বভৌমত্বে প্রশ্ন তোলে জিজ্ঞাসা করলে মুহম্মদ মশিউর বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি মিয়ানমার বেশ কয়েকবার দ্বীপটি নিজেদের বলে দাবি করেছেন। এছাড়াও আরাকান আর্মিরা অনেকবার নিজেদের বলে দাবি করেছেন। এরই মাঝে দ্বীপটিতে যাতায়াত এর বিধিনিষেধ দিয়ে দ্বীপটি জনশূন্য করলে তা দেশের স্বার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।'

সোহাগ/ মিরর

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।