Wednesday, 21 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে নাটমন্দির পরিদর্শনে এমপি বাবুল, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে যে ফিচার আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল :স্পিকার আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজির ফ্ল্যাটে ডিবির অভিযান, মাদকসহ আটক ৮৫ গৃহবন্দী অং সান সু চিকে বই ও চিঠি পাঠালেন রাজা তৃতীয় চার্লস ৬ দিন বন্ধ থাকবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম রংপুরে রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ ফ্যান ও ১ ফ্রিজে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আর্ন্তজাতিক

শুক্রাণু বেচতে গিয়ে প্রতারণার শিকার, নিঃস্ব যুবক

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
শুক্রাণু বেচতে গিয়ে প্রতারণার শিকার, নিঃস্ব যুবক

শুক্রাণু বেচতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক যুবক। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে খোয়ালেন লাখ লাখ টাকা। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই যুবকের নাম গণেশ বাগ (৩৩)। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের একটি সোনার দোকানে কাজ করেন। তাঁর স্ত্রীও পাঁচ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

   

গণেশের দাবি, গত ১ আগস্ট রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুক্রাণু বিক্রির বিজ্ঞাপনটি চোখে পড়ে তাঁর। সেখানে নগদ ২৫ লাখ রুপি করে দেওয়ার টোপ দেওয়া হয়েছিল। যেখানে একটি নির্দিষ্ট ফোন নম্বরও দেওয়া ছিল। আর সেই ফোন নম্বরেই নিজের এই ইচ্ছা প্রকাশ করে ফোন করেন তিনি। তার পর থেকেই শুরু হয় প্রতারণা।

   

প্রতারিত যুবকের অভিযোগ, শুক্রাণু কেনার জন্য তাঁকে অগ্রিম ৫ লাখ রুপি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়। এর আগে একটি বিশেষ পরিচয় পত্র তৈরি করা হবে জানিয়ে ক্ষেত্রে ১১৯৯ রুপি চাওয়া হয়। সেই অর্থ খুশি মনেই প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে পাঠান গণেশ। এদিকে কিছুক্ষণের মধ্যেই অগ্রিম বাবদ গণেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ ৫ লাখ রুপি পাঠানো যাচ্ছে না বলে ফোন আসে।

   

এবার তাঁর ফোনে ওই অর্থ পাঠানোর নামে আরও ২০ হাজার রুপি চাওয়া হয়। প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে সেই অর্থও খুশি মনে পাঠিয়ে দেন গণেশ। আর তারপরেই প্রতারকরা গণেশকে ভিডিও কলের মাধ্যমে এক নারীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করে।

   

এরপর সবমিলিয়ে সাড়ে ৭ লাখ রুপি প্রতারকদের দেন গণেশ। পরে তাঁর কাছে আরও এক লাখ ৮০ হাজার রুপি দাবি করে অভিযুক্তরা। আর সেই অর্থ না দিতে পারায় একের পর এক হুমকি ফোন আসতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে তমলুক থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন গণেশ। ইতিমধ্যেই তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

   

ভুক্তভোগী গণেশ বলেন, প্রতারকরা আমার আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভয় দেখাতো। আর আমিও লজ্জা অপমানের হাত থেকে রক্ষা পেতে তাই বাধ্য হয়েই এতগুলো অর্থ দিয়ে ফেলেছি।

   

এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এ প্রতারণার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।