রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রিপোর্টার্স ইউনিটির (রুরু) ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এদিন সাংবাদিকতায় আগ্রহী নবীন শিক্ষার্থীদেরও বরণ করে নিয়েছে সংগঠনটি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সংগঠনটির কার্যালয়ে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছিলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিহুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সহ-সভাপতি ফাহিম আহমেদ।
অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মশিহুর রহমান বলেন, একটি ঘটনাকে ক্যাম্পাস সাংবাদিক যেভাবে দেখে, একজন সাধারণ শিক্ষার্থী কিন্তু সেভাবে দেখতে পারেনা। কিন্তু ক্যাম্পাস সাংবাদিক যখন অ্যাক্টিভিস্ট হয়ে যায়, তখন ফ্যাক্চুয়াল সাংবাদিকতার জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের দেশের সাংবাদিকদের অনেকের মধ্যে ব্যগ্র মানসিকতা রয়েছে। তারা অনেকসময় ধমক দিয়ে কথা বলে। এটাকে বাদ দিতে হবে। কারো বক্তব্য নেয়ার আগে তাকে নিজের পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে কাজটা সহজ হয়ে যায়।
ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি সাংবাদিকতাকে আর্ট অব কমিউনিকেশন হিসেবে দেখি। যেকোনো ঘটনার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে একজন সাংবাদিক বিশেষ ভূমিকা রাখে। সাংবাদিকদের মধ্যে ভালো লেখক হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। এর বহু উদাহরণ দেয়া যাবে। সাংবাদিকতার ট্রেনিং হাউজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে রিপোর্টার্স ইউনিটি উল্লেখ করে তিনি তাদের এবং নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা জানান।
অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, সাংবাদিকতায় তথ্য নিয়ে কাজ করা হয়। তথ্য এমন একটি জিনিস, এটার ভোক্তা সবচেয়ে বেশি। সেই হিসেবে সাংবাদিকতার সম্ভাবনাও বেশি। কিন্তু সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। শুধু ভিউয়ের জন্য একটা ছোটো বিষয়কে বড় করে দেখানো উচিত না। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
সভাপতির বক্তব্যে রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লাবু হক বলেন, বর্তমানে একজন সাংবাদিককে ওয়ান ম্যান আর্মি বা, মাল্টিটাস্কারের ভূমিকা পালন করতে হচ্ছে। সেই চর্চাটাই আমরা আমাদের সংগঠনে শেখা এবং শেখানোর চেষ্টা করি। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য, শিক্ষানবীশ ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।





