Thursday, 22 October 2026
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে আনা হলো বিএমইউতে সৌদির কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা, হতাহত ৯ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল দোকানের কর্মচারীর শিক্ষক বা অন্য পেশার কারও সাংবাদিকতার সুযোগ নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান ‘দালাল মিডিয়া’ বর্জনের ডাক ইশরাকের, আনছেন নতুন গণমাধ্যম কুমারখালী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকে সাইবার হামলা, প্রায় ৪ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা,প্রজ্ঞাপন জারি
জাতীয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়ান দিবস আজ

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়ান দিবস আজ

আজ ২২শে শ্রাবন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়ান দিবস। মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছর বাইশে শ্রাবণ আসে। বিশ্বকবির প্রয়ান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও বেসরকারি টেলিভিশনগুলো এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও নাটক প্রচার করবে।

শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের শেষ দিনগুলোতে কখনো তিনি শয্যাশায়ী, কখনো মন্দের ভালো। শেষের দিকে ১৯৪১ সালের ২৫ জুলাই, শান্তিনিকেতনের আশ্রম বালক-বালিকাদের ভোরের সংগীত অর্ঘ্য তিনি গ্রহণ করেন, তাঁর উদয়ন গৃহের পূবের জানলার কাছে বসে। উদয়নের প্রবেশদ্বার থেকে ছেলেমেয়েরা গেয়ে ওঠেন কবিরই লেখা ‘এ দিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার, আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো আজ’।

রবীন্দ্র জীবনীকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় ‘রবীন্দ্র জীবন কথা’য় কবির মৃত্যু নিয়ে লিখেছেন, শান্তি নিকেতনে কবি এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দেহ আর চলছিল না, চিকিৎসার ও সেবারও ত্রুটি নেই। অবশেষে ডাক্তাররা পরামর্শ করে ঠিক করলেন, অপারেশন ছাড়া উপায় নেই।

 

৯ শ্রাবণ (২৫ জুলাই) শান্তি নিকেতন থেকে কবিকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হলো। শান্তি নিকেতনের সাথে অনেক বছরের স্মৃতি জড়িত কবি কি বুঝতে পেরেছিলেন এই তার শেষ যাত্রা? যাবার সময় চোখে রুমাল দিচ্ছেন দেখা গেছে।

 

৩০ জুলাই জোড়াসাঁকোর বাড়িতে কবির শরীরে অস্ত্রোপাচার হলো। তার কিছু পূর্বে শেষ কবিতা রচনা করেন ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি, বিচিত্র ছলনাজালে হে ছলনাময়ী। ’

 

রবীন্দ্র জীবনী থেকে জানা যায় , মৃত্যুর মাত্র সাত দিন আগে পর্যন্তও কবি সৃষ্টিশীল ছিলেন। জোড়াসাঁকো রোগশয্যায় শুয়ে শুয়ে তিনি বলতেন রানী চন্দ লিখে নিতেন। কবি বলে গেছেন, ক্রমশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন কবিতাটি বলতে বলতে। দিনটা ছিল কবির শেষ বিদায়ের দিন কয়েক আগে চৌদ্দোই শ্রাবণ। রানী চন্দ সে দিন সূত্রধরের মতো লিখেও নেন রবীন্দ্রনাথ উবাচ কবিতাটি ‘‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’।

 

চিকিৎসকরা অস্ত্রোপাচার করলে তা নিস্ফল হয়। অবস্থা দ্রুত মন্দের দিকে যেতে লাগলো। তিনি জ্ঞান হারালেন। শেষ নিশ্বাস পড়ল- রাখীপূর্ণিমার দিন, বাংলা ১৩৪৮ সালের ২২ শে শ্রাবণ, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ঘড়িতে তখন বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিট। অমৃত আলোকের নতুন দেশে চলে গেলেন কবি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।