Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম
মন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বিএনপি নেতার ভাই গ্রেপ্তার বিমানবন্দরের গোলচত্বরে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের লিফলেট বিতরণ ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড!
ক্যাম্পাস

নেকাব পরেই ভাইভা দেবেন ইবির সেই ছাত্রী, ডেকেছেন শিক্ষকরা

• • পঠিত 14 বার
শেয়ার করুন:
নেকাব পরেই ভাইভা দেবেন ইবির সেই ছাত্রী, ডেকেছেন শিক্ষকরা

সম্প্রতি নেকাব না খোলায় সেমিস্টার ফাইনালের মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) অংশ নিতে পারেননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক নারী শিক্ষার্থী। গত ১৩ ডিসেম্বর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ভাইভায় এমন ঘটনা ঘটে। এর প্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসে দুই দফায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশে ফের ওই ছাত্রীর ভাইভা নেয়ার ব্যবস্থা করেছে বিভাগটি। আগামী শনিবার (২৭ জানুয়ারি) এই ভাইভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন তিনি নেকাব না খুলেই ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন। হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি শিমুল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভিসির নির্দেশে ২৩ জানুয়ারি তাকে ভাইভার জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তার ক্যাম্পাসে আসতে দেরি হওয়ায় আগামী শনিবার (২৭ জানুয়ারি) ভাইভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী ওই নারী শিক্ষার্থী বলেন, ম্যাম ফোন করেছিলেন। তিনি আমাকে আগামী শনিবার ভাইভার জন্য যেতে বলেছেন। শনিবার আমি ভাইভা দিতে যাব।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ ডিসেম্বর হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ১ম বর্ষের সেমিস্টার ফাইনালের ভাইভায় এক নারী শিক্ষার্থী নেকাব পরে অংশগ্রহণ করেন। ভাইভা বোর্ডে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগে অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি শিমুল রায়, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি উম্মে সালমা লুনা ও বিভাগের শিক্ষক শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ভাইভা বোর্ডের শিক্ষকরা ওই ছাত্রীর পরিচয় নিশ্চিতের জন্য নেকাব খুলতে বলেন। তবে ওই ছাত্রী নেকাব খুলতে অস্বীকৃতি জানায় এবং প্রয়োজনে নারী শিক্ষকের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করতে অনুরোধ করেন।

ভাইভা বোর্ডের সদস্যরা তাদের সামনেই ওই ছাত্রীকে নেকাব খুলতে বলেন। তবে তিনি নেকাব খুলতে অস্বীকৃতি জানালে, তার ভাইভা নেয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ‘দ্যা মিরর অব বাংলাদেশ’-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি ২১ ও ২২ জানুয়ারি দুই দফায় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন কর্মসূচি ও কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ওই ছাত্রীর ফের ভাইভা নেয়াসহ ক্যাম্পাসে ধর্ম পালনে স্বাধীনতা নিশ্চিতের দাবি জানান।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।