Thursday, 22 October 2026
শিরোনাম
অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে আনা হলো বিএমইউতে সৌদির কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা, হতাহত ৯ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৩৪, মামলা ৩৭ যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল দোকানের কর্মচারীর শিক্ষক বা অন্য পেশার কারও সাংবাদিকতার সুযোগ নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান ‘দালাল মিডিয়া’ বর্জনের ডাক ইশরাকের, আনছেন নতুন গণমাধ্যম কুমারখালী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার বিদায় ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যাংকে সাইবার হামলা, প্রায় ৪ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা,প্রজ্ঞাপন জারি
জাতীয়

গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ: ইস্টার্ন ব্যাংক কর্মকর্তার ৫৪ বছর কারাদণ্ড

• • পঠিত 8 বার
শেয়ার করুন:
গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ: ইস্টার্ন ব্যাংক কর্মকর্তার ৫৪ বছর কারাদণ্ড

ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড চট্টগ্রামের চান্দগাঁও শাখার এক গ্রাহকের ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে ওই শাখার তৎকালীন প্রায়োরিটি ব্যাংকিং ম্যানেজার মো. ইফতেখারুল কবিরকে ৫৪ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ওই মামলায় আরও চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার আবুল কাশেমের ছেলে জাকির হোসেন বাপ্পীকে ১১ বছর কারাদণ্ড ও ৭৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার আবদুল মালেকের ছেলে আবদুল মাবুদকে ৬ বছর ৬ মাস কারাদণ্ড ও ১৮ লাখ ৫০ হাজার অর্থদণ্ড, খুলশী থানার আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে মাহমুদুল হাসানকে ৬ বছর ৬ মাস কারাদণ্ড ও ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং হাটহাজারী উপজেলার আবুল খায়ের চৌধুরীর ছেলে আজম চৌধুরীকে ৬ বছর ৬ মাস কারাদণ্ড ও ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ আগস্ট) বিভাগীয় বিশেষ জজ মুনসী আবদুল মজিদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড চান্দগাঁও শাখার সালাউদ্দিন নামে এক প্রায়োরিটি গ্রাহকের কাছ থেকে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ইফতেখারুল ফিক্সড ডিপোজিট খোলার কথা বলে জালিয়াতির মাধ্যমে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কাজে অন্যান্য আসামিরা এসব টাকা উত্তোলনে সহযোগিতা করেছেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এর পর মামলাটি দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. ফজলুল বারী মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দুদক চট্টগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, মামলাটি গত ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় দুদক প্রসিকিউশনের পক্ষে ১৯ জন, আদালতের পক্ষে দুজন এবং সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ৪ জন। আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাজা দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানামূলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।