Wednesday, 21 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে নাটমন্দির পরিদর্শনে এমপি বাবুল, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে যে ফিচার আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল :স্পিকার আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজির ফ্ল্যাটে ডিবির অভিযান, মাদকসহ আটক ৮৫ গৃহবন্দী অং সান সু চিকে বই ও চিঠি পাঠালেন রাজা তৃতীয় চার্লস ৬ দিন বন্ধ থাকবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম রংপুরে রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ ফ্যান ও ১ ফ্রিজে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আর্ন্তজাতিক

গাজায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ২০ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
গাজায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ২০ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ

গাজা উপত্যকায় ২০ লাখ মানুষ পানির অভাবে এখন ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’। বর্তমান গাজা পরিস্থিতি নিয়ে এমন মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘ সতর্কতা করে বলেছে, সেখানে কমপক্ষে ২০ লাখ মানুষের জন্য পান করার পানি বিপজ্জনকভাবে কমে গেছে। এ ছাড়া সেখানে পানিবাহিত রোগের বিস্তার ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। খবর সিএনএন।

ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস ইন দ্য নিয়ার ইস্টবিষয়ক কমিশনার জেনারেল ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি এখন জীবন মৃত্যুর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব মানুষের জন্য পানি সরবরাহ ঠিক রাখার জন্য গাজায় এখন অত্যাবশ্যকভাবে জ্বালানি সরবরাহ প্রয়োজন।

গাজার চারদিকে ইসরাইলের ভয়াবহ অবরোধের বিপর্যয়ের কথা জোর দিয়ে তুলে ধরেন তিনি। বলেন, পানি শোধনাগার এবং সরকারি পানিবিষয়ক নেটওয়ার্ক কাজ করতে পারছে না জ্বালানি সংকটে। ফলে গাজা উপত্যকায় পরিষ্কার পানি ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে জনগণ কূপ থেকে নোংরা পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে।

এতে পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। ১১ অক্টোবর থেকে গাজা বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। এতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে।

এরই মধ্যে ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস ইন দ্য নিয়ার ইস্ট-এর গাজা সিটির অফিসের কেন্দ্রীয় অপারেশন সরিয়ে দক্ষিণ গাজায় নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বিবৃতিতে তারা বলেছে, মাত্র ১২ ঘণ্টায় গাজা থেকে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

এক সপ্তাহে এই সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। লাজ্জারিনি বলেন, ঠিক এ মুহূর্তে গাজায় জ্বালানি প্রয়োজন। জ্বালানি হলে জনগণের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা যাবে।

যদি তা না হয়, তা হলে পানিশূন্যতায় মানুষ মারা যাবে। এর মধ্যে আছে ছোট ছোট বাচ্চা, প্রবীণরা ও নারীরা।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।