Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে নাটমন্দির পরিদর্শনে এমপি বাবুল, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে যে ফিচার আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল :স্পিকার আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০ মসজিদ পূর্বাচলে অতিরিক্ত ডিআইজির ফ্ল্যাটে ডিবির অভিযান, মাদকসহ আটক ৮৫ গৃহবন্দী অং সান সু চিকে বই ও চিঠি পাঠালেন রাজা তৃতীয় চার্লস ৬ দিন বন্ধ থাকবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের অনলাইন কার্যক্রম রংপুরে রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ২ ফ্যান ও ১ ফ্রিজে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা! রাজধানীতে পাকিস্তানি নাগরিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
জাতীয়

খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ড

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ড

খুলনার বন্ধ থাকা দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত ফ্যাক্টরির ভেতরের পরিত্যক্ত একটি কক্ষের কেমিক্যাল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

 

তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সঙ্গে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে যায় ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। এতে এলাকার অনেকে বিষাক্ত ধোয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

 

দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির কাঁচামাল সংরক্ষিত করার কক্ষে বারুদের কারণে অগ্নিকাণ্ডে ধোয়া বেশি হয়েছে।

 

ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির একটি কক্ষে ম্যাচ তৈরির বারুদ, রেড ফসফরাস, ব্লাক ফসফরাস সালফার, কার্বন সংরক্ষিত ছিল। সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে টুটপাড়া ও বয়রা ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

১৯৫৬ সালে গেওয়া কাঠের ওপর নির্ভর করে খুলনার রূপসা নদীর তীরে ১৮ একর জমির ওপর দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির যাত্রা শুরু হয়। মিলটির মালিকানা ছিল পাকিস্তানি মালিকানাধীন দাদা গ্রুপ। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে মিলটি জাতীয়করণ করে চালু করে সরকার।

 

১৯৯৩ সালে ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এ মিলের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয়। কিন্তু লোকসানের কারণে ২০১০ সালে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় তারা। ২০১১ সালে সরকারি তত্ত্বাবধানে কারখানার মালামাল বুঝে নেওয়া হয়। সেই সময় থেকে মালামাল সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনকে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।