Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
আর্ন্তজাতিক

খালি গায়ে মেয়েদের পানিতে নামার অনুমতি দিল যে শহর

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
খালি গায়ে মেয়েদের পানিতে নামার অনুমতি দিল যে শহর

সাঁতার কাটার সময় কেবল পুরুষরাই পারে শরীরের ওপরের অংশে কোনো পোশাক না পরেও পানিতে নামতে। নারীদের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ নেই। কিন্তু এবার সেই প্রথা ভেঙে দিয়ে নজির গড়ল জার্মানির রাজধানী বার্লিন। সম্প্রতি বার্লিনের প্রশাসন জানিয়েছে, সাঁতার কাটতে ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে সবাই ঊর্ধ্বাঙ্গে জামা না পরে পানিতে নামতে পারবে।

 

কিন্তু কেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত? জানা গেছে, কিছুদিন আগে একজন নারী তার শরীরের ওপরের অংশ উন্মুক্ত রেখে, অর্থাৎ টপলেস অবস্থায় বার্লিন পাবলিক পুলের সামনে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছিলেন। সেই দৃশ্য চোখে পড়তেই তাকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়।

 

পরে ওই নারী প্রকাশ্যে লিঙ্গবৈষম্যের অভিযোগ এনে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এমনকি তিনি সিনেট অফিসে গিয়েও অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, সাঁতার কাটার সময় পোশাক বেছে নেওয়ার ব্যাপারে ছেলেদের মতো মেয়েদেরও সমান অধিকার থাকা উচিত।

 

সেই মামলার পরই বার্লিন প্রশাসন এমন বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকাশ্যে লিঙ্গবৈষম্যের কথা স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়, লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই ঊর্ধ্বাঙ্গে পোশাক না পরে পুলে নামতে পারবেন। একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা ঘোষণা করে প্রশাসন।

 

স্বভাবতই এই সিদ্ধান্তে খুশি বার্লিনের নারীরা। কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা ভীষণ খুশি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে। তার দাবি, এতে আরো স্পষ্ট হলো যে লিঙ্গভেদে এখানে সবার সমান অধিকার। এই নিয়ম এবার থেকে অন্যান্য নিয়মের মতোই মানা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

 

প্রসঙ্গত, জার্মানির বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই লিঙ্গ নির্বিশেষে ‘ফ্রি বডি কালচারের’ লক্ষ্যে লড়াই করছিলেন। সেখানে বার্লিন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত তাদের লক্ষ্যে পৌঁছনোর দিকে আরো একটু এগিয়ে নিয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

সূত্র : দ্য ওয়াল

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।