Thursday, 24 September 2026
শিরোনাম
জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির ৪৭ নেতাকর্মীকে নিজ খরচে ওমরাহে পাঠালেন লুৎফুজ্জামান বাবর বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় আপস ইবির একই হলের একই রুমে থাকা ৩ বন্ধু হলেন সহকারী জজ মাস্টার্স শেষ হওয়ার আগেই সিভিল জজ হলেন ইবি শিক্ষার্থী ককটেল ফোটালেই ৫ হাজার টাকা, যোগাযোগে ভারতীয় নম্বর: ডিবি মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর হোটেলের সামনে বিএনপি-আ. লীগের পাল্টাপাল্টি স্লোগান হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে হামলা, মারধরের শিকার তরুণী
সারা দেশ

ইবির একই হলের একই রুমে থাকা ৩ বন্ধু হলেন সহকারী জজ

• 24 Sep 2026, 02:13 PM • পঠিত 29 বার
শেয়ার করুন:
ইবির একই হলের একই রুমে থাকা ৩ বন্ধু হলেন সহকারী জজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষে থাকা তিন বন্ধু বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা সবাই আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় দুজন এবং এর আগে ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় একজন সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. তসলিম আরিফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে ১৮তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে সিভিল জজ পদে সাময়িকভাবে ২০০ জন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

 

এরমধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত ২ বন্ধু হলেন, আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাকির আলম ও আনোয়ার হোসাইন। এরআগে, ১৬তম বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত আইর হোসাইনও একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় তিনজনই সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন বলে জানা গেছে।

 

সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী জজ শাকির আলম বলেন, ‘প্রথমেই আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা যে, তিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। টানা ২ বার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি, তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কোরানের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শিগগিরই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দিবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো।

 

 

তিনি বলেন, ‘পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। আমার সবচেয়ে বড় ভালোলাগা হলো, সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর রুম থেকে আমরা তিনজনই জজ হয়েছি।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।