আসরের শুরুতে ঘানার বিপক্ষে দলের ৩-২ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে প্রথম গোলটি করে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়েন রোনালদো।
পরের দুই ম্যাচেও শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। কিন্তু পেনাল্টি থেকে ওই একটি গোল ছাড়া সেভাবে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার।
পরে শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে বেঞ্চে রাখেন কোচ। তার জায়গায় প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে নেমেই অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক করেন গনসালো রামোস। দুর্দান্ত ওই পারফরম্যান্সে জায়গা ধরে রেখেছেন ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
আজ মরক্কোর বিপক্ষেও শুরুর একাদশে রোনালদোকে রাখেননি সান্তোস। তার জায়গায় আবারও খেলছেন রামোস। এর আগে পর্তুগালের পত্রিকা ‘রেকর্ড’ খবর দিয়েছিল, সুইজারল্যান্ড ম্যাচের শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়ার পর কাতার ছেড়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন রোনালদো। পরে অবশ্য পর্তুগালের ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল-এমন কোনো ঘটনা ঘটেইনি।
রোনালদোও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছিলেন-পর্তুগাল দল একতাবদ্ধ। বাইরের কোনো শক্তি তাদের এই একতায় চিড় ধরাতে পারবে না। মিডফিল্ডার ওতাভিও-ও একই কথা বলেছিলেন সংবাদমাধ্যমকে।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের একাদশ
গোলকিপার: দিয়েগো কস্তা।
রক্ষণ: দিয়েগো দালত, পেপে, রুবেন দিয়াস, রাফায়েল গেরেরো।
মাঝমাঠ: উইলিয়াম কারভালহো, বের্নার্দো সিলভা, ওতাভিও, ব্রুনো ফার্নান্দেজ।
আক্রমণভাগ: জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো রামোস।





