গত তিন মৌসুমে এটা যেন চ্যাম্পিয়নস লিগের নিয়মিত দৃশ্য। নকআউট পর্বে মুখোমুখি হবে দুই দল। একদলের হৃদয় ভাঙ্গবে আর অন্যদল মৌসুম শেষে জিতে নিবে শিরোপা। বলছিলাম ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদের কথা।
একদল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর অন্য দল এই টুর্নামেন্টের রাজা। দুন্ধুমার প্রথম লেগে ৩-৩ ছিল গোলে সমতা। তাই ইত্তিহাদে আজ ছিল মহারন। জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত আর হারলে এক বছরের অপেক্ষা।
এমন লড়াইয়ে কিছুটা ব্যাকফুটেই ছিল রিয়াল। তারা যে কখনো ম্যানসিটিকে তাদের ঘরের মাঠে হারাতে পারেনি! রিয়ালের এসব ভাবতে বয়েই গেছে। তাইতো স্রোতের বিপরীতে ১২ মিনিটেই গোল পেয়ে যায় রিয়াল। গোলদাতা রদ্রিগো গোয়েস। তারপর তারা পণ করে গোল না খাওয়ার। একের পর এক আক্রমণ করেও তাই প্রথমার্ধে গোল আদায় করতে পারেনি ম্যানসিটি। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ৬২ তম মিনিটে গিয়ে ডেডলক ভাঙ্গেন ডি ব্রুইনা। নির্ধারিত সময়ে আর কোন গোল হয়নি।
দুই গেল মিলিয়ে ৪-৪ গোলে সমতা থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও উভয় দল গোল করতে ব্যার্থ হওয়ায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।
আর সেখানেই কপাল পুড়ে ম্যানসিসটির। প্রথম শটে আলভারেজ গোল করলেও অভিজ্ঞ মদ্রিচের শট রুখে দেন এডারসন। তবে ম্যানসিসটির পরের দুই শট রুখে দেন রিয়াল গোলকিপার লুনিন। শেষ শটে রুডিগার গোল করলে ইত্তিহাদে ঐতিহাসিক জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ।
সেমিফাইনালে রিয়ালের প্রতিপক্ষ জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। ইংলিশ প্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালকে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলে হারিয়ে সেমিতে জায়গা করে নেয় বায়ার্ন।





