Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
ফিচার

বাসায় রসগোল্লা তৈরির সহজ পদ্ধতি

• • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
বাসায় রসগোল্লা তৈরির সহজ পদ্ধতি
ছবি সংগৃহিত

বছরজুরে নানা উৎসব চলতেই থাকে। আর বাঙালির উৎসব মানেই মিষ্টিমুখ। মিষ্টির তালিকায় রসগোল্লার জনপ্রিয়তা বরাবরই আলাদা। তবে যাদের ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি তাদের অনেকেই মিষ্টি খাওয়া নিয়ে চিন্তায় থাকেন। তাদের জন্য চিনির বিকল্প ব্যবহার করে বাড়িতে রসগোল্লা তৈরির একটি সহজ পদ্ধতি রয়েছে।

 

রসগোল্লা তৈরির উপকরণ:

১ কাপ তাজা ছানা
১ চা চামচ স্টিভিয়া বা উপযুক্ত চিনির বিকল্প
১ চা চামচ ময়দা
আধা চা চামচ সুজি
সামান্য এলাচ গুঁড়া
১ চিমটি বেকিং পাউডার
৩ কাপ পানি

তৈরির পদ্ধতি:

১. ছানা প্রস্তুত করুন: প্রথমে ছানার পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে নিন। ছানায় অতিরিক্ত পানি থাকলে রসগোল্লার আকৃতি ঠিক রাখা কঠিন হতে পারে।

২. ছানা মাখুন: একটি পাত্রে ছানা নিয়ে হাতের তালু দিয়ে ভালোভাবে মাখতে থাকুন। ছানা মসৃণ হলে রসগোল্লা নরম হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

৩. উপকরণ মেশান: মাখানো ছানার সঙ্গে ময়দা, সুজি, এলাচ গুঁড়া ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে মিশ্রণটি তৈরি হয়ে যাবে।

৪. ছোট ছোট বল তৈরি করুন: এবার মিশ্রণ থেকে সমান আকারের ছোট ছোট বল তৈরি করুন। বলের গায়ে যেন কোনো ফাটল না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৫. পানিতে সেদ্ধ করুন: একটি পাত্রে তিন কাপ পানি ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটতে শুরু করলে সাবধানে ছানার বলগুলো ছেড়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে মাঝারি আঁচে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট রান্না করুন। বলগুলো ফুলে উঠলে সেদ্ধ হয়েছে কি না যাচাই করুন।

৬. মিষ্টি রস তৈরি করুন: অন্য একটি পাত্রে উপযুক্ত চিনির বিকল্প পানিতে মিশিয়ে হালকা মিষ্টি রস তৈরি করুন। স্টিভিয়া ব্যবহার করলে প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করুন।

৭. রসে ভিজিয়ে রাখুন: সেদ্ধ রসগোল্লাগুলো তৈরি করা রসে ডুবিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন। এতে মিষ্টি স্বাদ ভেতরে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

কয়েকটি বিষয় মনে রাখুন:

ছানার পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে নিন।


ছানা মসৃণ করে মাখুন, যাতে বল সহজে তৈরি করা যায়।


রান্নার সময় আঁচ মাঝারি রাখুন।


চিনির বিকল্প ব্যবহারের আগে তার নির্দেশনা পড়ে নিন।

 

তবে চিনি ছাড়া তৈরি হলেই রসগোল্লা সম্পূর্ণ শর্করামুক্ত হয় না। ছানা ও অন্যান্য উপকরণেও কার্বোহাইড্রেট থাকতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া এবং প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

 

সূত্র: আনন্দবাজার

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।