Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম
মন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বিএনপি নেতার ভাই গ্রেপ্তার বিমানবন্দরের গোলচত্বরে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের লিফলেট বিতরণ ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড!
এক্সক্লসিভ

কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

• • পঠিত 11 বার
শেয়ার করুন:
কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ হয়েছে। এর ফলে, আগামী ৭ আগস্ট রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানিতে আর বাধা নেই।

 

২৭ পৃষ্ঠার রায়ে বিচারপতি কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে ২০১২ সালের হাইকোর্টের একটি রায় ও ২০১৩ সালে লিভ টু আপিলের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের একটি রায়ে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বজায় রাখার নির্দেশনা আছে।

 

৩০ ভাগ কোটা পূরণ না হলে মেধাতালিকা অনুযায়ী নিয়োগ হবে। তাই কোটা বাতিল করে জারি করা প্রজ্ঞাপন অবৈধ ও আদালত অবমাননার সামিল। রায়ে মুক্তিযোদ্ধা, জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটার বজায় রাখার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে সরকার চাইলে কোটা পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে পারবে।’

 

এদিকে, এই রায় অকার্যকর করে হাইকোর্টের বাতিল করা প্রজ্ঞাপনের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে আপিল বিভাগ।

 

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করা করে। এতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং ১০ শতাংশ জেলা কোটা বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।

 

পরে ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করে। ওই রিটের শুনানি শেষে গত ৫ জুন সরকারের জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় হাইকোর্ট। এতে সরকারি চাকরিতে আবারও কোটা ফিরে আসে।

 

বিষয়টি আপিলে গেলে গত ৯ জুন হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে বিষয়টি আপিল বিভাগের বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান চেম্বার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম। ৪ জুলাই আপিল বেঞ্চ জানায়, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর মামলাটির শুনানি শুরু হবে। গত বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর এক মাসের স্থগিতাদেশ দেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, ঝুলন্ত কোনো সিদ্ধান্ত তাঁরা মানবেন না।

 

একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার বিকেলে আবারও ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করে। জাতীয় সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারে আইন পাসের দাবিতে রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দিতে আজ বেলা ১২টার পরপর বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা শুরু করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।