ঘড়ির কাটায় তখন সবে আধা ঘণ্টা পার হয়েছে। ব্রাজিল তারকা রাফিনহার গোলে বার্সেলোনা এগিয়ে ১-০ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে বার্সা তখন ২ গোলের অগ্রগামিতায়। দীর্ঘ ১০ বছর পর তখন সেমিফাইনালের স্বপ্ন বুনছে কিউলরা।
তখনই এক অহেতুক ফাউল করে বার্সার সর্বনাশ ডেকে আনেন আরাউহো। অকস্মাৎ এক কাউন্টার অ্যাটাকে গোলমুখে বিপদজনকভাবে এগিয়ে যাওয়া ব্রাডলি বারকোলাকে কনুই দিয়ে গুঁতো মেরে বক্সের বাইরে অবৈধভাবে ফেলে দেন আরাউহো। সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি। ফলে ১০ জনের দলে পরিনত হয় বার্সেলোনা। শীর্ষ পর্যায়ে ১০ জন নিয়ে প্যারিসের মত দলের বিপক্ষে একঘন্টা ডিফেন্স করা অসম্ভব। পারেনি বার্সাও।
১২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়া বার্সাকে বিরতির আগেই ৪০ মিনিটে একগোল শোধ করে দেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা উসমান দেম্বেলে। বিরতির পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয় প্যারিসের দলটি। ৫৪ মিনিটে ভিতিনহার দূরপাল্লার জোরালো শট আটকানোর সাধ্য ছিল না বার্সা গোলকিপার টের স্টেগানের। ২-১ গোলে এগিয়ে গিয়ে দুই লেগে সমতায় ফেরে পিএসজি।
৬১ মিনিটে ক্যান্সেলো দেম্বেলেকে বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় প্যারিস। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। গোল শোধে মরিয়া বার্সা কয়েকবার জোরালো আক্রমণ করেও আর গোল পায়নি। উল্টো ৮৯ মিনিটে বার্সার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন এমবাপ্পে। ৪-১ গোলে জয় নিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোলে বার্সাকে নকআউট করে সেমিতে চলে যায় পিএসজি।
অপর ম্যাচে আরেক স্প্যানিশ দল অ্যাথলেটিকোকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে চলে যায় ডর্টমুন্ড। আজ রাতে অপর দুই ম্যাচে ম্যানসিটি-রিয়াল ও বায়ার্ন-আর্সেনাল মুখোমুখি হবে।





