নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সমর্থকদের সংঘর্ষের আধা ঘণ্টা পর মাঠে গড়িয়েছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ। প্রথমার্ধে দু’দল ফাউল করেছে ২২টি। যার মধ্যে ১৬টিই করে ব্রাজিল। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি দু’দলের কেউই। তবে বিরতি থেকে ফিরেই লিড নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে শুরুটা ছিল ব্রাজিলেরই। একাধিকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে স্বাগতিকরা। তবে ঘরের মাঠে দর্শকদের আনন্দ দেওয়া হয়নি সেলেসাওদের।
খেলার ধারার বিপরীতেই ম্যাচের প্রথম গোল করে বসে আর্জেন্টিনা। ৬৩ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর কর্নার থেকে লাফিয়ে হেড করেন নিকোলাস ওতামেন্ডি। বল ঠেকাতে ব্যর্থ অ্যালিসন।
এর আগে লাতিনের দুই পরাশক্তির হাইভোল্টেজ ম্যাচটি সংঘর্ষের কারণে নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়াতে পারেনি। কি কারণে গ্যালারিতে সংঘর্ষ বাঁধে তার প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। তারা ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর ধারাভাষ্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার জাতীয় সংগীত বাজার সময় ব্রাজিলের সমর্থকরা দুয়ো দেয়ায় ঝামেলার শুরু হয়। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে।
পরে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে চলে যেতে বলা হয়। পুলিশ লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আধা ঘণ্টা পর অবশেষে ম্যাচ মাঠে গড়ায়।
২০২১ সালে কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে এ মারাকানা স্টেডিয়ামে দুদলের ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। সেবার করোনায় কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলারের বিপক্ষে কোয়ারেন্টিন নীতি ভাঙ্গার অভিযোগ তুলে তাদের খেলতে দিতে বাধা দেয় ব্রাজিলের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবাদে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় আর্জেন্টিনা।
প্রথমার্ধে ৬১ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে মাত্র ৩টি শট করতে সক্ষম হয় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কিন্তু একটিও লক্ষ্যে ছিল না। অন্যদিকে ব্রাজিল ৩৯ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ৪টি শট করে যার একটি ছিল লক্ষ্যে।
ব্রাজিল একাদশ অ্যালিসন, এমারসন, মার্কুইনহোস, গ্র্যাব্রিয়েল, অগাস্টু, আন্দ্রে, গুইমারেজ, রাফিনহা, রদ্রিগো গোয়েস, মার্তিনেল্লি ও গ্র্যাব্রিয়েল জেসুস।
আর্জেন্টিনা একাদশ এমি মার্টিনেজ, মলিনা, ওটামেন্ডি, রোমেরো, মার্কাস আকুনা, এনজো, ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার, জিওভানি লো সোলসো, লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজ।





