মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে কালকিনি ও ডাসার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আর সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন।
তিনি ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেখতে পান রোদের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাঁড় করিয়ে তার আগমন উপলক্ষ্যে লালগালিচা সংবর্ধনা প্রদান শুরু করলে তিনি তা তাৎক্ষণিকভাব প্রত্যাখ্যান করেন। পরে তিনি এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন একাডেমি হলরুমে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান, রাজৈর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলুল হক, মাদারীপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদ হোসেন ও ডাসার সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান জানান, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আমরা আয়োজন করলেও লাল গালিচার সংবর্ধনার বিষয় আমি কিছু জানি না। লাল গালিচা সংবর্ধনা ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছে।
সৈয়দ আবুল হোসেন একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইউনুস আলী মিয়া জানান, আমাদের বিদ্যালয় বিগত দিনে এগুলো হয়ে আসছিল তাই আমিও করেছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ উল আরেফীন জানান, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গিয়ে দেখি স্কুল কর্তৃপক্ষ আমার আগমন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের রোদে দাঁড় করিয়ে লালগালিচা সংবর্ধনার ব্যবস্থা করে। আমি ওই লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রত্যাখ্যান করি এবং আমাকে প্রধান অতিথি হিসেবে বসানোর জন্য রাজকীয় একটি চেয়ারের ব্যবস্থা করে কিন্তু ওই চেয়ারে আমি না বসে সাধারণ একটি চেয়ারে গিয়ে বসেছি। পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছি। তবে আমাকে ঘিরে এরকম অনুষ্ঠান না করার জন্য উপজেলার সকল বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে বলে দিয়েছি।





