Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

ভেজাল কনফিডেন্স লবন বিক্রি বন্ধের নির্দেশ, জরিমানা

admin • 24 Dec 2025, 07:09 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
ভেজাল কনফিডেন্স লবন বিক্রি বন্ধের নির্দেশ, জরিমানা

আয়োডিনবিহীন ভেজাল লবন উৎপাদনের কথা আদালতে স্বীকার করলেন কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদিউল ইসলাম। ভেজাল লবন বাজারজাত করার অপরাধে তাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসাথে ভেজাল লবন বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নিরাপদ খাদ্য আদালত।

 
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বীথি ওই আদেশ দিয়েছেন বলে আদালত সুত্র জানিয়েছে। একই আদালত গত ১৮ ডিসেম্বর আয়োডিন না দিয়ে ভেজাল লবন বাজারজাতের দায়ে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।  
বিএসটিআই এর মান আনুযায়ী প্যাকেটজাত লবনে ২০-৫০ পিপিএম আয়োডিন থাকার কথা। পরীক্ষাগারে মাত্র ১৩ পিপিএম পাওয়া গেলে ওই মামলা করেছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাং কামরুল হাসান।  
স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাং কামরুল হাসান বার্তা২৪.কমকে বলেছেন, পরীক্ষাগারে নিম্নমান পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। ২৪ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে তাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে বাজার থেকে ওই লটের লবনগুলো তুলে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত।  
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কনফিডেন্স আয়োডিনযুক্ত ভ্যাকুয়াম লবনের মান নিয়ে সন্দেহ হলে বাজার থেকে ১ কেজি ওজনের প্যাকেট সংগ্রহ করা হয়। জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে রাসায়নিক পরীক্ষায় মানহীন পাওয়া গেছে। খাদ্য বিশ্লেষক ইলিয়াস জাহেদী কনফিডেন্স সল্ট মান সম্পন্ন নয় বলে সনদপত্র প্রদান করেছে।  
খাদ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পরীক্ষায় যা পাওয়া গেছে তাতে আয়োডিন নেই বলা চলে। এই লবন খাওয়া, না-খাওয়া সমান। এই লবন খেলে শিশুদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এটা বড় ধরণের প্রতারণা, অবশ্যই দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া উচিত। অবিলম্বে বাজার থেকে ভেজাল লবন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া উচিত।  
কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডের হেড অব ব্র্যান্ড মার্কেটিং নেওয়াজ ইমতিয়াজকে একাধিক দফায় ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।  
আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরে নেওয়াজ ইমতিয়াজ বলেন, আমরা এখনও কোন নোটিশ পাইনি, তবে লোক মারফত জানতে পেরেছি গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা। তারা এক তরফা নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা করেছে। কি পেয়েছে সে বিষয়ে আমরা অবগত নই। আমাদের উপস্থিতিতে পরীক্ষা করলে ভালো হতো।  

আয়োডিন না থাকার বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বলেছিলেন, কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে, সেটি না জেনে কিছু বলতে পারছি না। চলতি বছরের মাঝামাঝিতে ৩ মাসের মতো সময়ে সরকার আয়োডিন সরবরাহ দিতে পারেনি। বাধ্য হয়ে মিডফোর্ড খোলা বাজার থেকে আয়োডিন সংগ্রহ করেছি। ওই আয়োডিনের কোয়ালিটি কিছুটা খারাপ থাকতে পারে। সেখান থেকে কোন সমস্যা হলো কি-না বলতে পারছি না।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।