কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি সিন্দুকে এবার মিলেছে সাত কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এছাড়া, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে সিন্দুক খুলে চলে অর্থ গণনার কাজ। তিন মাস ২৮ দিন পর আবার খোলা হলো কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৯টি দান সিন্দুক। এবার মিলেছে ২৮ বস্তা টাকা।
মাদ্রাসার দেড় শতাধিক খুদে শিক্ষার্থী, ব্যাংকের অর্ধশত স্টাফ এবং মসজিদ কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মিলে গণনা করা হয় এসব টাকা।
কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরের ঐতিহাসিক মসজিদটিতে তিন থেকে পাঁচ মাস পরপর খোলা হয় এই সিন্দুক। স্থানীয়রা বলছে, মসজিদে দান করলে মনের বাসনা পূরণ হয়। মুশকিল আসানসহ মেলে রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি। এমন বিশ্বাসে দান করেন দেশ বিদেশের অসংখ্য মানুষ।
মসজিদটিতে নগদ টাকা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার, চাল, ডাল, গরু, ছাগল, হাসঁমুরগীসহ অনেক কিছু দান করেন সাধারণ মানুষ। দানের টাকায় জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেয়ার পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তা করা হয়। সারাবছর চলে সমাজ সেবামুলক কাজ। এছাড়া মসজিদ ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টিনন্দন বহুতল ইসলামী কমপ্লেক্স নির্মাণ করার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টদের।
এর আগে ২০ এপ্রিল সর্বশেষ পাগলা মসজিদের ৯টি দান সিন্দুকে পাওয়া গিয়েছিলো সাত কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার পাঁচশ ৩৭ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ স্বর্ণ রূপার বিভিন্ন অলংকার। দিন যত যাচ্ছে পাগলা মসজিদের খ্যাতি ও জৌলুসের পাশাপাশি দানের পরিমাণ ততই বাড়ছে।





