টার্গেট দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরীব ও অভাবী মানুষ। এরপর তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকায় কেনা হয় কিডনি। এই কিডনি আবার কয়েক হাত ঘুরে বিদেশে বিক্রি করা হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকায়। এরকম কিডনি ক্রয়-বিক্রয় চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
টাকার লোভে কিডনি হারিয়ে অনেকেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে পড়ছেন। দেশে ২ কোটিরও বেশী মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। জীবন বাঁচাতে অনেক সময় কিডনি রোগীদের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে, এই সুযোগে কিডনি বেচাকেনার অবৈধ চক্র গড়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
এরকম একটি চক্রের মূলহোতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব জানায়, চক্রগুলো প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে টার্গেট করে কিডনি প্রতিস্থাপন করবে দেশে বিদেশে অবস্থান করা এমন বিত্তবানদের, আর কিডনি দেয়ার জন্য মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে ঠিক করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় দরিদ্র মানুষদের।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক মোসতাক আহমেদ জানান, চক্রের অনেক সদস্য কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নিজেরাই জড়িয়ে পড়ে এই অপকর্মে। কিডনি প্রতিস্থাপনে তাদের নেয়া হয় ভারত, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে।
নিকটাত্মীয় ছাড়া কিডনী দান করা দেশের আইনে অবৈধ জানিয়ে, দালালদের খপ্পর থেকে দূরে থাকার আহবান বাহিনীটির।





