বয়সসীমা বাড়ানো, বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা ও স্বতন্ত্র কোটা পুনর্বহালসহ পাঁচ দফা দাবিতে থালা-বাটি হাতে যমুনা অভিমুখে লং মার্চ করছে চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্রাজুয়েট পরিষদ। রোববার (২২ অক্টোবর) দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের এই লং মার্চ শাহবাগ থেকে শুরু হয়।
এ সময় চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধীরা দাবি করেন, শিক্ষিত, যোগ্য ও কর্মক্ষম যুব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত। তারা ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ন্যায্য অধিকার দাবি জানিয়ে আসছে। তবুও কর্মসংস্থানে অন্তর্ভুক্তি ও প্রতিবন্ধী কোটা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
তারা আরও দাবি করেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই হবে। অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোনো উন্নয়নই টেকসই হতে পারে না মনে করেন তারা। এ সময় পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী বেকার, শিক্ষিত প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশে বিশেষ নিয়োগ প্রদান করতে হবে।; ২. প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে ২ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে ৫ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধী কোটা সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।; ৩. দৃষ্টি বা শারীরিক প্রতিবন্ধীরা নিজের পছন্দমতো শ্রুতি লেখক (বিকল্প সহকারী) মনোনয়নের স্বাধীনতা পাবে এমনভাবে নীতিমালা হালনাগাদ করতে হবে।; ৪. সমাজসেবা অধিদপ্তর ও সংশিষ্ট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্দিষ্ট পদসংখ্যা নিশ্চিত নিয়োগ প্রদান করতে হবে।; ৫. প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করতে হবে। আর সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩৫ হলে তা ৩৭ বছর করতে হবে।
এই পাঁচ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি থেকে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করে চাকরি প্রত্যাশী প্রতিবন্ধীরা।





