Friday, 4 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ জাতীয়

টাকার বিনিময়ে পুলিশ হত্যার ঘোষণা আসে যুক্তরাজ্য থেকে: ডিবি

admin • 25 Jul 2024, 07:27 PM • পঠিত 3 বার
শেয়ার করুন:
টাকার বিনিময়ে পুলিশ হত্যার ঘোষণা আসে যুক্তরাজ্য থেকে: ডিবি

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে টাকার বিনিময়ে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হত্যার ষড়যন্ত্রসহ নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সহায়তায় টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির লোকদের ছাত্রদের মিছিলে ঢুকিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে।

নাশকতায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ‘ব্লকড রেইড’ অভিযান চালিয়েছে ডিএমপি। অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের একজন মো. আব্দুল আজিজ ওরফে সুলতান। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, আব্দুল আজিজ বগুড়ার যুবদল নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী পিটনের দুলাভাই। পুলিশ মারলে ১০ হাজার ও ছাত্রলীগ মারলে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে, নূরে আলম যুক্তরাজ্য থেকে এমন নির্দেশনা পেলে তা বাস্তবায়নে মাঠের দায়িত্ব পান আব্দুল আজিজ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ ছাত্রদের মিছিলের ভেতর টাকার বিনিময়ে টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির মানুষদের ঢুকিয়ে দেশব্যাপী হত্যা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ধ্বংসযজ্ঞ চালান। তার এ কাজে সহায়তা করে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।

হারুন অর রশিদ জানান, সরকার পতনের আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য টোকাই ও ছিন্নমূল শ্রেণির মানুষদের দিয়ে একজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে মারলে ৫ হাজার টাকা ও প্রতিজন পুলিশ সদস্যকে মারার বিনিময়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ। এ কাজ বাস্তবায়নে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদেরও নির্দেশনা দেন তিনি। এর অংশ হিসেবে গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় রাজধানীর উত্তরা ও আব্দুল্লাহপুরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি ভেবেছিল পুলিশের মনোবল ভেঙে দিতে পারলে ষড়যন্ত্র সফল হবে। একই মানসিকতা নিয়ে গত বছরের ২৮ অক্টোবরও পুলিশের ওপর হামলা করা হয়েছিল। ঐ সময় এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সেই সঙ্গে পুলিশ হাসপাতাল ও প্রধান বিচারপতির বাসভবন ভাঙচুর করা হয়।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।