আমদানি নির্ভরতা কমাতে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ বিতরণ করা হয়। উপজেলার এগারো শত কৃষক এ কর্মসূচির সুবিধা পেয়েছেন। ইতোমধ্যেই অনেক কৃষক সফলভাবে এ চাষ শুরু করেছেন, যা বাম্পার ফলনের আশা জাগাচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষে ভালো ফলনের সম্ভাবনা অনেক বেশি। বিশেষ করে Nasik N53 জাতের পেঁয়াজ কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, যা দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির সুযোগও তৈরি করতে পারে। সঠিক জাত নির্বাচন, উর্বর ও সুনিষ্কাশিত মাটি এবং সঠিক চাষপদ্ধতি অনুসরণ করলে কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব।
কুমারখালী উপজেলার কৃষকেরা দীর্ঘদিন ধরে শীতকালীন পেঁয়াজ চাষে দক্ষ। তবে এবার কৃষি বিভাগের সহায়তায় কয়েকজন অগ্রসরমান কৃষক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ শুরু করেছেন। গত সপ্তাহে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাইসুল ইসলাম প্রদর্শনী মাঠ পরিদর্শন করেন।
বীজতলার অবস্থা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, কুমারখালীতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা চাই এই চাষ পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে আরও বিস্তৃত হোক। পেঁয়াজ অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক এবং উৎপাদন খরচও তুলনামূলক কম। শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন উভয় মৌসুমে উৎপাদন বাড়াতে পারলে আমাদের আর আমদানির প্রয়োজন হবে না বলে জানান তিনি।





